কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নে রাখাইন সম্প্রদায়ের অন্তত ২০০ বছরের পুরোনো শ্মশানভূমির জমি দখল করে লবণ ও চিংড়ি চাষের অভিযোগ উঠেছে। এতে মরদেহ সৎকার ও ধর্মীয় আচার পালনে চরম সমস্যার মুখে পড়েছে স্থানীয় রাখাইন জনগোষ্ঠী।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় চার একর আয়তনের এই শ্মশানভূমির বড় একটি অংশ দুই যুগের বেশি সময় ধরে প্রভাবশালী একটি পক্ষ দখল করে লবণ মৌসুমে লবণ চাষ এবং বর্ষাকালে চিংড়ি চাষ করছে।
রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, এই শ্মশান এলাকায় তাদের পূর্বপুরুষদের শত শত সমাধি রয়েছে। দখলের কারণে সেখানে নতুন করে মরদেহ সৎকার করতে গিয়ে তারা চরম সংকটে পড়েছেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে শ্মশানভূমির নির্ধারিত চার একর জমি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখানে সীমানা প্রাচীরও নির্মাণ করা হয়। তবে এরপরও জমির একটি বড় অংশ দখলে চলে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, সম্প্রতি তারা শ্মশানভূমি সংস্কারের কাজ শুরু করলে দখলদার পক্ষ থেকে বাধা, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষ দাবি করেছে, ওই জমির ওপর তাদের বন্দোবস্ত রয়েছে। তবে এ দাবির সপক্ষে তারা কোনো নথি দেখাতে পারেনি।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং রাখাইন সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment