কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Saturday, September 5, 2026

September 05, 2026

খুলনা মহানগর পূজা পরিষদের উদ্যোগে গোলকমণি শিশু পার্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপিত

 

খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে যুগাবতার পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব আজ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার বিকেল ৩:৩০টায় খুলনা স্যার ইকবাল রোডস্থ গোলকমনি শিশু পার্কে আনন্দঘন উৎসবমুখর পরিবেশে মহাসমারোহে শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন করেন কেডিএ চেয়ারমান ও খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এ্যাড. এস এম শফিকুর রহমান মনা। তিনি বলেন, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের প্রতীক শ্রীকৃষ্ণ। পৃথিবীতে এক দুর্যোগময় মুহূর্তে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি আর্বিভূত হন। তাঁর আদর্শ ও প্রদর্শিত পথ অনুসরণের মধ্য দিয়ে মুক্তির অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। তিনি আরও বলেন, আপনারা নিজেদেরকে কখনও সংখ্যালঘু মনে করবেন না। আপনাদের অধিকার ও দাবি-দাওয়ার প্রতি সর্বদা বর্তমান সরকার ওয়াদাবদ্ধ। 

খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল হালদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডুর সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খুলনা বিতান কুমার ম-ল, খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সময়ের খবরের সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম, খুলনা সদর থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. মোল্লা মাসুদ রশীদ। বক্তব্য রাখেন, মহানগর পূজা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও এস্টেট অব শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দিরের নির্বাহী ট্রাস্টি গোপী কিষণ মুন্ধড়া, খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি রবীন্দ্রনাথ দত্ত, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র, ইসকন খুলনা বিভাগীয় সভাপতি গৌড়েশ্বর নিমাই দাস ব্রহ্মচারী। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, খুলনা মহানগর আহ্বায়ক নিত্যানন্দ ম-ল, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী পরিমল দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ব্যানার্জী, সম্পাদকম-লীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নিখিল কুমার বিশ্বাস, বাবলু বিশ্বাস, সাংবাদিক বিমল চন্দ্র সাহা, সাংবাদিক প্রবীর কুমার বিশ্বাস, অ্যাড. বিজন কৃষ্ণ ম-ল, অ্যাড. বীরেন্দ্র নাথ সাহা, সনজীব দাস, মহাদেব সাহা, গৌরাঙ্গ সাহা, তাপস সাহা, প্রদীপ সাহা মদন, তরুণ রায় শিবু, ভবেশ চন্দ্র সাহা, অম্লান কুমার সরদার, দীপক দত্ত, সুজিত মজুমদার, দেবদাস ম-ল, শঙ্কর কুমার পোদ্দার, রূপন কুমার দে, বাবু শীল, ডা. পরিতোষ রায়চৌধুরী, ভোলানাথ দত্ত, বিদ্যুৎ কুমার দাস, অলোক দে, রবীন দাস, কুমার লাল, সুশীল দাস, দেবীপ্রসাদ ঘোষ, ইন্দ্রজিৎ কু-ু গোপাল, পলাশ সাহা, পরিতোষ হালদার, অশোক ঘোষ, দুলাল সরকার, নারায়ণ দাস, দেবকুমার হালদার, বিমল কু-ু, সাধন ঘোষ, সঞ্জয় সরকার, তপন সাহা, মেধস ব্যানার্জী, সুরেশ চক্রবর্ত্তী, সুশান্ত ব্যানার্জী, রথীন্দ্রনাথ সরকার বাপ্পী, পারতোষ দাস, স্বপন রায়, অসিত চক্রবর্ত্তী,  মিণ্টু সাহা, সুব্রত কুমার সরকার, অসিত বিশ্বাস, সত্যরঞ্জন পোদ্দার, অশোক কুমার সেন, স্বপন সরকার, বৈষ্ণব বলরাম দাস, দেবেন্দ্র নাথ সাহা, লিটন চক্রবর্ত্তী, মহানগর পূজা পরিষদের সদর থানা সভাপতি বিকাশ কুমার সাহা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু সরকার, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বিপ্লব মিত্র ও সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার, খালিশপুর থানা সভাপতি রজত কান্তি দাস ও সাধারণ সম্পাদক দীপক দত্ত, দৌলতপুর থানা সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ অধিকারী, খানজাহান আলী থানা সাধারণ সম্পাদক সুভাষ দত্ত, লবণচরা থানা সভাপতি ডা. শেখর পাল, হরিণটানা থানা সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন রায়, আড়ংঘাটা থানা আহ্বায়ক আশিষ কবিরাজ, মন্দির কমিটির সমীর সাহা, রতন বণিক, পলাশ হালদার, পরিমল দাস, গোপাল ঘোষ, কাঞ্জিলাল গোলদার, নিতাই সরদার, প্রবীর ম-ল, বীর মুক্তিযোদ্ধা কিংশুক রায়, প্রদীপ বসু, বিপ্লব ভৌমিক, মুকুল রায়, বলরাম ঘোষ, উজ্জ্বল রায়, মাণিক শীল, সন্তোষ মজুমদার, সবিতা মজুমদার, গোবিন্দ পাল, কাজল দাস, রাজু শীল, অমিত সাহানি, মিমো দাস, দিব্য সাহা প্রমুখ।

উদ্বোধন শেষে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের অংশগ্রহণে ও উপস্থিত হাজার হাজার ভক্ত স্বতস্ফুর্তভাবে শ্রীকৃষ্ণের ছবি সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন সহকারে শঙ্খ-ঘণ্টা, উলুধ্বনি, জয়ধ্বনি, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নামসংকীর্ত্তন করতে করতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় গোলকমনি শিশুপার্কে ফিরে আসে। এ সময়ে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। রাত ৮টায় আদি কালীবাড়ী সার্বজনীন পূজা মন্দিরে দেশ, জাতি ও বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনায় সমবেত প্রার্থনা, ভজন-কীর্ত্তন এবং রাত ১০টায় শ্রীশ্রীকৃষ্ণের পূজা ও পূজান্তে ভক্তবৃন্দের মঝে প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। 

Thursday, September 3, 2026

September 03, 2026

খুলনা মহানগর পূজা পরিষদের আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হবে আগামীকাল শুক্রবার

খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে যুগাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার বিকেল ৩:৩০টায় খুলনা স্যার ইকবাল রোডস্থ গোলকমনি শিশু পার্কে উৎসবমুখর পরিবেশে মহাসমারোহে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসবের শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ খুলনা-৩ আসনের সদস্য ও মাননীয় হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএ চেয়ারমান ও খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এ্যাড. এস এম শফিকুর রহমান মনা, খুলনা জেলা প্রশাসক ও ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ধসঢ়; হুরে জান্নাত, মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন, খুলনা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম। এছাড়া আরও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধন শেষে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের অংশগ্রহণে ও উপস্থিত হাজার হাজার ভক্ত স্বতস্ফুর্তভাবে শ্রীকৃষ্ণের ছবি সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন সহকারে শঙ্খ-ঘণ্টা, উলুধ্বনি, জয়ধ্বনি, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নামসংকীর্ত্তন করতে করতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় গোলকমনি শিশুপার্কে ফিরে আসবে। এ সময়ে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। রাত ৮টায় আদি কালীবাড়ী সার্বজনীন পূজা মন্দিরে দেশ, জাতি ও বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনায় সমবেত প্রার্থনা, ভজন-কীর্ত্তন এবং রাত ১০টায় শ্রীশ্রীকৃষ্ণের পূজা ও পূজান্তে ভক্তবৃন্দের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। উল্লিখিত অনুষ্ঠানমালায় সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষে সভাপতি শ্যামল হালদার ও সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু ভক্তবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ।

Wednesday, September 2, 2026

September 02, 2026

গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

গাজীপুর মহানগরের পুবাইল থানার ডেমরপাড়া এলাকায় নিজ ঘর থেকে প্রাপ্তি মল্লিক পূজা (২৪) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত প্রাপ্তি মল্লিক পূজা ডেমরপাড়া এলাকার গোপাল চন্দ্র মল্লিকের মেয়ে। তিনি উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ডিজাইনিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রায় দুই বছর আগে শ্রীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকার শিশির চন্দ্র রায়ের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। এই দম্পতির কোনো সন্তান ছিল না।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট ভাইয়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান পূজা। সোমবার সকালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে গোসল সেরে নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তার ভাই পাশের কক্ষের সিলিং দিয়ে ভেতরে ঢুকে পূজাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। এরপর ঘরের দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুবাইল থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পারিবারিক হতাশার কথা জানানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
September 02, 2026

জয়পুরহাটে আদিবাসী কিশোরের সমাধিতে বাধা, হামলায় আহত ৩

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় আদিবাসী কিশোরের মরদেহ সমাধি দিতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছেন অন্তত তিনজন। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নের চকমোহন গ্রামের আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দা পিন্টু পাহানের ১৪ বছর বয়সী ছেলে বিকাশ পাহানের মরদেহ পালী আদিবাসী সমাধি শ্মশানে নিয়ে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ আগস্ট বিকাশ পাহানের মৃত্যু হয়। পরদিন তার মরদেহ সমাধি দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ সময় নূরপুর গ্রামের মুকুল চন্দ্র মণ্ডলের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে মরদেহ সমাধিতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে তারা আদিবাসীদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।

এতে বাংলাদেশ আদিবাসী সংঘ জয়পুরহাট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সতিশ পাহান, পালী আদিবাসী সমাধি শ্মশানের সভাপতি অনুকূল কুর্মি এবং সাধারণ সম্পাদক শংকর গুরুতর আহত হন। আহতরা জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খবর পেয়ে জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে বিকাশ পাহানের মরদেহ সমাধি দেওয়া সম্পন্ন হয়।

ঘটনার পর আদিবাসী নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়রা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
September 02, 2026

মথুরানাথ বসু গোপালগঞ্জ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম অগ্রদূত


সেন্ট মথুরানাথ বোস, ১৮৭৪ সালে গোপালগঞ্জে এসেছিলেন, তিনি ছিলেন এ অঞ্চলের শিক্ষার অগ্রদূত, সমাজ সংস্কারক ও ভাটির মানুষের আশার আলো।

প্রায় দেড়’শ বছর আগে গোপালগঞ্জে অঞ্চল ছিল জলাভূমি ও প্লাবণ এলাকা। এখানকার আদিবাসীদের প্রায় সবাই ছিল নিম্নবর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক। এরা ছিল অতিশয় গরীব ও অশিক্ষিত। আঁধারে ঢাকা এ অঞ্চলে মুক্তির বার্তা পৌঁছে দিতে কলকাতার ভবানীপুরের লন্ডন মিশনারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার চাকরী ছেড়ে ১৮৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নৌকাযোগে গোপালগঞ্জ পৌঁছান।

শুরু করেন নিরক্ষর মানুষকে জাগিয়ে তোলার কাজ। গড়ে তোলেন শিক্ষাঙ্গণ, ভজনালয়, কোর্ট, পোষ্ট অফিস, হাইস্কুল, ব্যাংক, হাসপাতাল ও কৃষি খামার। গোপালগঞ্জের পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীকে অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে আসতে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে হয়ে ওঠেন তাদের বন্ধু। অশিক্ষা আর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই ছিল তার। গোপালগঞ্জবাসীর জন্য তিনি আশির্বাদ হয়ে এসেছিলেন।

মথুরানাথ বোস স্থাপিত এ অঞ্চলের প্রথম পাঠশালাটিই মিশন হাইস্কুল নামে পরিচিত। পরে তার নামানুসারে এমএন ইনস্টিটিউট রাখা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ মিশন হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন। ১৯৪২ সালে বঙ্গবন্ধু এই মিশন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। স্কুলটি ১৯৫০ সালে কায়েদে আযম কলেজ ও  পরে বঙ্গবন্ধু কলেজ ,বর্তমানে গোপালগঞ্জ সরকারী কলেজ নামকরন করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ শহরে শিক্ষা বিসত্মারে তাঁর যথেষ্ট অবদান রয়েছে। এ ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার একমাত্র সরকারী বালক এস এম মডেল স্কুলটি দুই সহোদর শীতানাথ ও মথুরানাথ (এস এম মডেল) এর নামানুসারে রাখা হয়েছে।
September 02, 2026

মুন্সিগঞ্জে স্বর্ণের দোকানে কর্মচারীর নগ্ন মরদেহ উদ্ধার

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বাজারে একটি স্বর্ণের দোকান থেকে সুমন দে (৪৫) নামে এক কর্মচারীর নগ্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে দোকানের শাটার খুলে ভেতরে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁর মুখে বালিশ চাপা অবস্থায় ছিল বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

নিহত সুমন দে উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত নারায়ণ দের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাসাইল বাজারের অমিত সরকার গোবিন্দের স্বর্ণের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। বাড়ি দূরে হওয়ায় সপ্তাহের শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি দোকানেই থাকতেন এবং সেখানেই ঘুমাতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৯টার দিকে দোকানের মালিক অমিত সরকার গোবিন্দ সুমনকে দোকানে রেখে বাড়িতে চলে যান। এরপর মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দোকানটি বন্ধ ছিল।

সকাল ৮টার দিকে পাশের চায়ের দোকানের মালিক মঞ্জু রায় সুমনের মুঠোফোনে কল করেন, কিন্তু একাধিকবার চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি কয়েকজন ব্যবসায়ীকে সঙ্গে নিয়ে দোকানের সামনে যান। তাঁরা শাটারে ধাক্কা দিলে এক পাশ কিছুটা খোলা দেখতে পান। পরে শাটার উঠিয়ে ভেতরে তাকালে মেঝেতে সুমনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর শরীরে কোনো পোশাক ছিল না এবং মুখের ওপর একটি বালিশ চাপা দেওয়া ছিল।

ঘটনাটি জানাজানি হলে বাজারে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে টঙ্গীবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

টঙ্গীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মুখে বালিশ চাপা থাকা এবং পোশাকবিহীন অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এটি হত্যা, নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দোকানের মালিকসহ আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

পুলিশ দোকানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, রাতে সেখানে কারা যাতায়াত করতেন এবং দোকানের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করছে। নিহতের পরিবারের সদস্য ও দোকানের মালিকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Tuesday, September 1, 2026

September 01, 2026

দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন দিনাজপুরের ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দিরে যান তিনি।

মন্দির এলাকায় পৌঁছালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রীকে স্থানীয় আদিবাসীরা নাচ ও পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় স্থানীয়দের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়।

পরে মন্দিরে প্রদীপ আরতি করেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এরপর তিনি মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং এর স্থাপত্যশৈলী ও টেরাকোটার কারুকাজ পর্যবেক্ষণ করেন।

কান্তজিউ মন্দির বাংলাদেশের প্রাচীন স্থাপত্য ও শিল্প-ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। মন্দিরের দেয়ালজুড়ে থাকা টেরাকোটার নানা কারুকাজে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও তৎকালীন জীবনযাত্রার বিভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে।

পরিদর্শনকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মন্দিরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সময় কাটান। তার এই পরিদর্শনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।


 

September 01, 2026

সাবান দিয়ে গোসলের পরও শরীরে দুর্গন্ধ? এই ভুলগুলো করছেন কি?

প্রতিদিন সাবান দিয়ে গোসল করার পরও যদি শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়, তবে তা কিন্তু স্বাভাবিক নয়। অনেকেই পারফিউম বা ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন, কিন্তু এগুলো ক্ষণিকের স্বস্তি দেয়, সমস্যার মূল সমাধান নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, গোসলের সময় কয়েকটি ছোট ভুলের কারণেই এই সমস্যা তৈরি হতে পারে।

অতিরিক্ত সাবান বা শক্ত সাবান ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নিয়ে আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। যাদের ত্বক শুষ্ক বা স্পর্শকাতর, তাদের মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করা উচিত। বাহুমূল, পায়ের পাতা ও ঘাম হয়—এমন জায়গাগুলো ভালো করে পরিষ্কার করুন।

গরম পানিতে গোসল স্বস্তিদায়ক হলেও অতিরিক্ত গরম পানি শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে গোসলের পরেও ১৫-২০ মিনিট ঘাম হতে পারে। এই ঘামই আবার দুর্গন্ধ তৈরি করে।

শরীরের বাকি অংশ পরিষ্কার করলেও অনেকে পা ঠিকমতো ধোয় না। অথচ পায়ের পাতা থেকেই অনেক সময় দুর্গন্ধের সূত্রপাত। গোসলের সময় পা ভালো করে ঘষে পরিষ্কার করা জরুরি।

ভেজা তোয়ালে স্যাঁতসেঁতে জায়গায় রেখে দিলে তাতে জীবাণু ও দুর্গন্ধ তৈরি হয়। বারবার একই তোয়ালে ব্যবহার করলে তা শরীরে গন্ধ ফিরিয়ে আনে। তাই ব্যবহারের পর তোয়ালে ভালো করে মেলে শুকিয়ে নিন এবং নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার করুন।

পাশাপাশি গোসলের পর পরিষ্কার ও শুকনো পোশাক পরাও জরুরি। এ ছোট অভ্যাসগুলোই শরীরের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি দিতে পারে।


 

September 01, 2026

নওগাঁর রাণীনগরে জমি দখল ও মাছ লুটের মামলায় চারজন গ্রেপ্তার


নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় এক পরিবারের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা ও পুকুর থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার খাঁনপুকুর বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—করজগ্রাম দোগাছি উদনাপাড়া গ্রামের সবুজ (৩৫), আব্দুল সাত্তার (৪৬), বুলু (৪৫) ও জহুরুল ইসলাম (৪৩)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, করজগ্রাম-দোগাছি এলাকায় অসিত দেবনাথদের পৈতৃক ও ক্রয়কৃত প্রায় ১০ বিঘা জমির একটি পুকুর রয়েছে। সম্প্রতি আসামিরা ওই সম্পত্তির ১০ শতক জমির মালিকানা দাবি করে সেখানে জবরদখলের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তারা পুকুর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দেড় লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ২৯ আগস্ট অসিত দেবনাথ সাতজনকে আসামি করে রাণীনগর থানায় মামলা করেন। বাদী অসিত দেবনাথ বলেন, ১৯৮২ সাল থেকে ক্রয়সূত্রে ওই সম্পত্তি তাঁদের দখলে রয়েছে। সম্প্রতি আসামিরা জবরদখলের চেষ্টা ও মাছ লুট করেছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া মন্ডল জানান, মামলার পর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


 

September 01, 2026

রংপুর হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত, আসামিদের মধ্যে ৮০ বার ফোনালাপ

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনাটি ‘পূর্বপরিকল্পিত’ বলে নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনায় দেখা গেছে, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস মোট ৮০ বার পরস্পরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘটনার আগের ও পরের সময় মিলিয়ে দুই আসামির মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে একবার করে ফোনালাপের প্রমাণ মিলেছে, যা স্বাভাবিক নয়। এই অস্বাভাবিক যোগাযোগের কারণেই পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত বলে তদন্তকারীদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে। গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস সম্পর্কে চাচাতো ভাই।

হত্যাকাণ্ডের আগে-পরে বাড়ির ছাদে বসে নয়টি ইয়াবা সেবনের স্বীকারোক্তি দিলেও ডোপ টেস্টে আসামিদের শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সনাতন চক্রবর্তী জানান, আদালতের নির্দেশে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে আসামিদের প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের শরীরে কোনো মাদক শনাক্ত হয়নি। চিকিৎসাবিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইয়াবায় থাকা অ্যামফিটামিন বা মেথামফেটামিনজাতীয় উপাদান মানবদেহে নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আর পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।

মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তবে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিচারক রিমান্ড নামঞ্জুর করেন। সোমবার বিকেলে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আসামিদের দুই দিন প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

গত ২২ আগস্ট মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার থানা থেকে মহানগর ডিবিতে হস্তান্তর করা হয় এবং ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
"
"