মানিকগঞ্জ ও সাটুরিয়ায় নির্মিত হবে দুটি মডেল মন্দির ও শ্মশানঘাট: পর্যটনমন্ত্রী
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার বামনেরবাসা এলাকায় একটি পারিবারিক মন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর এবং দানবাক্সে থাকা টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিবারের পারিবারিক মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনা হয়ে আসছিল। তবে সোমবার দিবাগত রাতে (১৩ জুলাই ২০২৬) অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মন্দিরে প্রবেশ করে সেখানে থাকা একাধিক প্রতিমা ভাঙচুর করে। একই সঙ্গে মন্দিরের দানবাক্স ভেঙে এর ভেতরে থাকা নগদ অর্থ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন মন্দির-সংশ্লিষ্টরা।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের খবর এতদিন শুনলেও তাদের এলাকায় এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। হঠাৎ করেই নিজেদের পারিবারিক মন্দিরে এ ধরনের হামলার ঘটনায় তারা গভীরভাবে মর্মাহত ও আতঙ্কিত। তাদের দাবি,
পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতেই এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও এলাকাবাসী মন্দিরে ভিড় করেন এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তারা বলেন, ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হামলার সাহস কেউ না পায়।
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বকেয়া টিউশনির টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সিঁথি সীমিতা নামে এক স্কুলশিক্ষিকার ওপর ভয়াবহ হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এক ছাত্রীর মা প্রিয়া বেগম ঘরের দরজা বন্ধ করে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেন।
হামলায় শিক্ষিকার মাথায় একাধিক গুরুতর আঘাত লাগে এবং একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত নারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
একজন শিক্ষকের ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি সমাজে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
All rights reserved ©