Saturday, June 20, 2026
ফেনীতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, এলাকায় উত্তেজনা
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে সৃজন দাশ প্রান্ত (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘SRIJON DAS’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন মন্তব্য প্রকাশের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কায় পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। পরে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় ছাগলনাইয়ার পশ্চিম ছাগলনাইয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সৃজন দাশ প্রান্তকে আটক করা হয়। তিনি প্রীতি লাল দাশের ছেলে।
ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া জানান, অভিযোগের কারণে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়।
পুলিশ আরও জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
Friday, June 19, 2026
টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ঐতিহাসিক রাকূটের তীর্থধাম সংস্কার কাজে অর্থ দান করেছে ৭ বছরের শিশু ফাল্গুনী
কক্সবাজারের রামুতে খেলনা বা চকলেটের বায়না না ধরে স্কুল টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ঐতিহাসিক রামকূট তীর্থধামের সংস্কার কাজে অর্থ দান করেছে ৭ বছরের শিশু ফাল্গুনী পাল। তার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভক্তি আজ সমাজকে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা ও ত্যাগের এক অনন্য শিক্ষা দেয়।
কক্সবাজারের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী তীর্থভূমি শ্রীশ্রী রামকূট তীর্থধামের সন্ন্যাসী পুকুরে ঘাট ও সিঁড়ি নির্মাণের মহৎ উদ্দেশ্যে নিজের স্কুল টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে অনুদান দিয়ে এক অনন্য ও মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মাত্র সাত বছর বয়সী শিশু ফাল্গুনী পাল। কক্সবাজার জেলার রামু রাজারকুলের দেয়াং পাড়ার বাসিন্দা শ্রী বিকাশ পালের অবুঝ কন্যা ফাল্গুনীর এই দান আমাদের সনাতনী সমাজের ঘুমন্ত বিবেককে একবিংশ শতাব্দীতে এসে নতুন করে জাগ্রত করেছে। বড় মনের মানুষ গড়তে হলে যে ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হয়, ছোট্ট ফাল্গুনী আজ তারই এক উজ্জ্বল প্রমাণ।
যে বয়সে সাধারণ শিশুরা খেলনা, চকলেট কিংবা আইসক্রিম কেনার জন্য বাবা-মায়ের কাছে বায়না ধরে, সেই বয়সে ছোট্ট ফাল্গুনীর কচি মনে ঈশ্বরের তীর্থভূমি সংস্কারের এই ব্যাকুল চিন্তা আজ সমাজকে এক বড় বার্তা দেয়। সনাতনী সংস্কৃতির প্রতি গভীর টান আর ভক্তি থেকেই সে তার জমানো ৫০০ টাকা তীর্থধামের উন্নয়ন ফান্ডে পাঠিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে টাকার অংকটি ছোট মনে হলেও, ফাল্গুনীর এই পবিত্র ও নিঃস্বার্থ ত্যাগ আজ অনেক বড় বড় সামর্থ্যবান মানুষের লক্ষ টাকার দানকেও এক অনন্য উচ্চতায় হার মানিয়েছে। সমাজে যেখানে বিত্তবানদের মধ্যেও ত্যাগের মানসিকতার অভাব দেখা যায়, সেখানে এই ছোট্ট শিশুর অন্তরের বিশালতা আমাদের চোখে জল এনে দেয়।
ফাল্গুনী পালের এই মহৎ উদ্যোগ আজ সমগ্র সনাতনী সমাজ তথা মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্বাসী প্রতিটি বিবেকবান মানুষকে নিজের আত্মার কাছে প্রশ্ন করার এক সুযোগ করে দিয়েছে। মাত্র সাত বছরের একটি শিশু যদি তার প্রতিদিনের টিফিনের ৫-১০ টাকা জমিয়ে ঐতিহাসিক সনাতনী ঐতিহ্য ও তীর্থভূমির উন্নয়নে এভাবে এগিয়ে আসতে পারে, তবে সামর্থ্যবান হয়েও কেন আমরা আমাদের ঐতিহ্যবাহী উপাসনালয়গুলোর সুরক্ষায় উদাসীন থাকব? এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা কোনো বয়সের ফ্রেমে বাঁধা থাকে না। সমাজের প্রতিটি স্তরে মানবিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে ফাল্গুনীর এই ত্যাগ এক বিরাট শিক্ষা। এই অনন্য সাধারণ কাজের জন্য ফাল্গুনী পালের প্রতি রইল অফুরন্ত শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও আর্শীবাদ।
পটিয়ায় গভীর রাতে হিন্দু যুবককে কুপিয়ে ক্যামেরা ও মোটরসাইকেল ছিনতাই
চট্টগ্রাম শহর থেকে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়েছেন রনি দাশ (২৯) নামে এক হিন্দু যুবক ও পেশাদার ফটোগ্রাফার। হামলাকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পাশাপাশি তার মোটরসাইকেল, ক্যামেরা এবং অন্যান্য মূল্যবান ফটোগ্রাফি সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
বুধবার (১৭ জুন) গভীর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া উপজেলার নিমতল দরগাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত রনি দাশ চন্দনাইশ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কিরন ড্রাইভারের বাড়ির বাসিন্দা এবং বিজন দাশের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার ফটোগ্রাফি কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম শহরে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান কভার করার পর মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন রনি। পথিমধ্যে পটিয়ার নিমতল দরগাহ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। এরপর তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তার কাছে থাকা মোটরসাইকেল, পেশাদার ক্যামেরা, লেন্সসহ অন্যান্য মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
রনির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মহাসড়কে রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং দ্রুত ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, সিসিটিভি ফুটেজ
ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। রনি দাশের পরিবার এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ছিনিয়ে নেওয়া মালামাল উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব উদযাপন উপলক্ষে খুলনা মহানগর পূজা পরিষদের বিশেষ বর্ধিত সভা
শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার এক বিশেষ বর্ধিত সভা ১৯ জুন ’২৬ শুক্রবার বেলা ১১টায় জোড়াগেটস্থ প্রেমকানন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মহানগর পূজা পরিষদ, থানা কমিটি, আয়োজক কমিটি, বিভিন্ন মন্দির কমিটি ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে মতামত ব্যক্ত করেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৬ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার পরিচালনায় এবং শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দির, টুটপাড়া গাছতলা মন্দির ও আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) খুলনার আয়োজনে স্যার ইকবাল রোডস্থ গোলকমণি শিশু পার্কে বিকেল ৩টায় মহাধুমধামে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে রথের দড়ি টেনে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেমকাননে অঙ্গণে প্রবেশ করবে এবং তথায় ৯ দিন ব্যাপী অবস্থান করবে। প্রতিদিন নিত্যপজা, ভোগরাগ, সন্ধ্যারতি, ধর্মীয় আলোচনা, গীতিনাট্য, নামসংকীর্তন, প্রসাদ বিতরণ ও মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ জুলাই শুক্রবার উল্টোরথযাত্রা উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে প্রেমকানন হতে রথ স্ব-স্ব মন্দিরে প্রত্যাবর্তন করবে। সভায় সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক তারক চাঁদ ঢালীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কর কমিশনার (অব.) প্রশান্ত কুমার রায়। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ইসকন খুলনার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. তপচৈতন্য দাস ব্রহ্মচারী ও যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন এস্টেট অব শ্রীসত্যনারায়ণ মন্দিরের ট্রাস্টি শরৎ কুমার মুন্ধড়া, ইসকন খুলনা বিভাগীয় সভাপতি ও শ্রীশ্রীরাধামাধব মন্দিরের অধ্যক্ষ গৌড়েশ্বর নিমাই দাস ব্রহ্মচারী, টুটপাড়া গাছতলা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু ম-ল, সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী পরিমল দাস, সমরেশ সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ব্যানার্জী, মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য শ্যামাপ্রসাদ কর্মকার, বাবলু বিশ্বাস, তাপস সাহা, সনজীব দাস, শান্ত বৈকু- দাস, বৈষ্ণব বলরাম দাস, সাংবাদিক বিমল সাহা, অভিজিৎ পাল, অ্যাড. বীরেন্দ্র নাথ সাহা, অ্যাড. বিজন কৃষ্ণ ম-ল, অ্যাড. কমলেশ কুমার সানা, অ্যাড. আনন্দ কুমার ঘোষ, প্রদীপ সাহা মদন, তরুণ রায় শিবু, অভিজিৎ দাস লভি, দীপক দত্ত, কণিকা সাহা, ভবেশ সাহা, সুজিত মজুমদার, দেবদাস ম-ল, সমর চন্দ্র রায়, সুশান্ত ব্যানার্জী, শঙ্কর পোদ্দার, শক্তিপদ দাস শর্মা, রূপন দে, বাবু শীল, ডা. পরিতোষ রায়চৌধুরী, অঞ্জন দে, কমলেশ সাহা, বীর মুক্তিযোদ্ধা নিখিল বিশ্বাস, ভোলানাথ দত্ত, উজ্জ্বল গাঙ্গুলী, বিদ্যুৎ দাস, অনিমেষ নন্দী, সুরেশ চক্রবর্ত্তী, শম্ভুনাথ চক্রবর্ত্তী, অলোক দে, রাজকুমার হেলা, সুশীল দাস, অশোক সেন, সত্যরঞ্জন পোদ্দার, কালিপদ কু-ু, অসিত চক্রবর্ত্তী, অম্লান সরদার, রথীন্দ্র নাথ সরকার বাপ্পী, দেবীপ্রসাদ ঘোষ, নীলকান্ত দত্ত, বাবুল দেবনাথ, স্বপন চক্রবর্ত্তী, অনিল কৃষ্ণ মজুমদার, পরিতোষ হালদার, অশোক ঘোষ, কার্তিক সাহা, মিণ্টু সাহা, দেবাশিষ দাস, সঞ্জয় সরকার, প্রবীর ম-ল, অনিন্দ্য সাহা, অসিত বিশ্বাস, অজয় বকসি, অশোক দাস, দেবকুমার হালদার, সুমন বিশ্বাস, মানিক কু-ু, সুব্রত সরকার, দিলীপ সাহা, লিটন ম-ল, কুমার লাল, সদর থানা সভাপতি বিকাশ সাহা মদন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু সরকার, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বিপ্লব মিত্র, সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার, দৌলতপুর থানা সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ অধিকারী, খালিশপুর থানা সভাপতি রজত কান্তি দাস, সাধারণ সম্পাদক দীপক দত্ত, খানজাহান আলী থানা সাধারণ সম্পাদক সুভাষ দত্ত, লবণচরা থানা সভাপতি ডাঃ শেখর পাল, হরিণটানা থানা সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন রায়, আড়ংঘাটা থানা আহ্বায়ক আশিষ কবিরাজ, মন্দির কমিটির সমীর কুমার সাহা, অজয় দে, সমীর রঞ্জন দাস,ৃ পরিমল দাস, সঞ্জীত বণিক, নিতাই সরদার, দিপু, তপু দাস, রতন বণিক, লিটন চক্রবর্ত্তী, পলাশ হালদার, তাপস তালুকদার, দিব্য সাহা, মিমু দাস প্রমুখ।






.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)

.jpeg)