কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Friday, April 24, 2026

April 24, 2026

তরুনদের মাঝে বাড়ছে কোলন ক্যানসারের ঝুকি, নিয়ন্ত্রনের ৫ উপায়

একসময় কোলন ক্যানসারকে মূলত বয়স্কদের রোগ হিসেবে ধরা হতো। সাধারণত ৫০ বছর পার হওয়ার পরই এ রোগের ঝুঁকি বাড়ে বলে মনে করতেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই চিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে 
এখন বিশ্বজুড়ে তরুণ বয়সেই কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। ৩০ বা ৪০ বছরের দিকেই অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে দেখা যাচ্ছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালে জন্ম নেওয়া প্রজন্মের মধ্যে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি ১৯৫০ সালের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
কোলন ক্যানসার নিয়ে বিশ্বব্যাপী পরিসংখ্যানও চিন্তার বিষয়। ২০২০ সালে নতুন করে প্রায় ১৯ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৪০ সালের মধ্যে বছরে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৩২ লাখ এবং মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখে পৌঁছাতে পারে।
তবে ভালো খবর হলো, কিছু ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই রোগ অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
⚠️ কোলন ক্যানসারের নিয়ন্ত্রণযোগ্য ৫টি ঝুঁকি
১. অ্যালকোহল সেবন 🍷
অ্যালকোহল একাধিক ক্যানসারের সঙ্গে যুক্ত, এর মধ্যে কোলন ক্যানসারও রয়েছে। দীর্ঘদিন মদ্যপান করলে ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। তাই এটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।
২. ধূমপান 🚬
তামাক ব্যবহার বিশ্বজুড়ে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর বড় একটি কারণ। ধূমপান কোলন ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ায়। তাই ধূমপান বন্ধ করা এবং প্রয়োজন হলে সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
৩. অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা ⚖️
অতিরিক্ত ওজন শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ তৈরি করে, যা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
৪. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস 🍔
প্রক্রিয়াজাত মাংস, লাল মাংস এবং অতিরিক্ত ভাজা খাবার দীর্ঘদিন খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। শাকসবজি, ফল এবং আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া উচিত।
৫. অলস জীবনযাপন 🪑➡️🏃
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বড় একটি ঝুঁকি। নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম বা সাইক্লিং করলে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট শারীরিক কার্যক্রম উপকারী বলে মনে করা হয়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, কোলন ক্যানসার এখন আর শুধু বয়স্কদের রোগ নয়। জীবনযাত্রায় ছোট পরিবর্তনই বড় ধরনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে


 

April 24, 2026

রাত ৩–৪টার মধ্যে ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণ কী? বিজ্ঞান কী বলছে

রাত প্রায় ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয় 😴। কেউ কেউ এটাকে অস্বাভাবিক মনে করেন না, আবার কেউ ভাবেন এর পেছনে কোনো অদৃশ্য বা অতিলৌকিক কারণ আছে। তবে বিজ্ঞান বলছে, বিষয়টি পুরোপুরি শরীর ও মস্তিষ্কের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।
গবেষকদের মতে, ঘুম একটি নির্দিষ্ট চক্র বা সাইকেল মেনে চলে। এই চক্র নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বিশেষ করে হাইপোথ্যালামাস এবং ব্রেন স্টেম। এই অংশগুলোই ঠিক করে কখন ঘুম আসবে এবং কখন ঘুম ভাঙবে।
ঘুমের সময় মস্তিষ্ক পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় থাকে না। বরং কিছু অংশ সক্রিয় থেকে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। বিশেষ করে হরমোনের ওঠানামা ঘুমের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্যরাতের পর শরীরে কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোন ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে। এই হরমোন শরীরকে জাগ্রত অবস্থার দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের দিকে গিয়ে ঘুম হালকা হয়ে যায় বা ভেঙে যেতে পারে।
যারা বেশি মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা অনিয়মিত জীবনযাপন করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। শোয়ার আগে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার, ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা-কফি) গ্রহণ বা মানসিক চাপও ঘুমের চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে।
হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল এবং স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরে ঘুম ও মস্তিষ্কের কার্যপ্রণালী নিয়ে গবেষণা করছেন। তাদের মতে, ঘুম না আসা বা মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া সবসময় রোগ নয়, তবে এটি যদি নিয়মিত হয়, তাহলে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, রাত ৩টা–৪টার মধ্যে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পেছনে কোনো রহস্য নয়, বরং শরীরের ভেতরের জৈবিক ঘড়ি ও হরমোনের স্বাভাবিক পরিবর্তনই মূল কারণ।

 

April 24, 2026

টেকনাফে জেলেপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১৮টি বসতঘর পুড়ে ছাই

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জেলেপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৮টি বসতঘর পুড়ে গেছে। এতে শিশুসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেপাড়ায় হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রাথমিকভাবে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই ঘর থেকে কিছু বের করার সুযোগ পাননি। এতে বসতঘরসহ প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কোটি টাকার মতো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের টেকনাফ স্টেশনের কর্মকর্তা জামিন মিয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে। তবে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

April 24, 2026

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর দাম বাড়ার আশঙ্কা, সরবরাহ সংকটে সতর্কতা প্রস্তুতকারকদের

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রভাব এখন বৈশ্বিক সরবরাহশৃঙ্খলেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে 🌍। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্বের অন্যতম বড় কনডম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান Karex-এর প্রধান নির্বাহী গোহ মিয়াহ কিয়াত।
তিনি জানান, যুদ্ধের স্থায়িত্বের ওপর নির্ভর করে কনডমের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি-তে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় কাঁচামাল পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে উৎপাদনে।
গোহ মিয়াহ কিয়াত বলেন, পরিস্থিতি এখন বেশ নাজুক। কাঁচামাল, প্যাকেজিং এবং পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই খরচ বেড়েছে। ফলে এই বাড়তি ব্যয় শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর চাপানো ছাড়া উপায় থাকছে না।
মালয়েশিয়াভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি ‘One’, ‘Trustex’, ‘Carex’ ও ‘Pasante’সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কনডম উৎপাদন করে এবং বিশ্বের ১৩০টির বেশি দেশে রপ্তানি করে। তাদের বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ৫০০ কোটিরও বেশি।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী সংস্থা Global Protection Corp জানায়, যুদ্ধের কারণে প্যাকেজিং উপকরণ, ল্যাটেক্স, লুব্রিকেন্টসহ বিভিন্ন উপাদানের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ডেভিন ওয়েডেল জানান, আপাতত তারা ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ দিতে চাইছেন না। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে কনডমের ঘাটতিও দেখা দিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট শুধু কনডম শিল্পেই সীমাবদ্ধ নয়। পেট্রোলিয়ামজাত কাঁচামাল, বিশেষ করে ন্যাফথা, সিলিকন অয়েল ও অ্যামোনিয়ার সরবরাহেও প্রভাব পড়ছে। এসব উপাদান প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে এশিয়াসহ বিশ্বব্যাপী উৎপাদন খাত চাপে পড়তে পারে। জ্বালানি সংকট, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের যাতায়াত সমস্যা—সব মিলিয়ে বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


 

April 24, 2026

কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঁচ ইউনিটের চারটি বন্ধ—উৎপাদন নেমেছে ৪০ মেগাওয়াটে

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র-এ পানির স্তর কমে যাওয়ায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে চারটিই বন্ধ রয়েছে, চালু আছে মাত্র একটি ইউনিট। ফলে উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াটে, যেখানে বর্ষা মৌসুমে এই কেন্দ্র থেকে দৈনিক প্রায় ২৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, চালু থাকা ২ নম্বর ইউনিট থেকেই এই সীমিত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। পানির স্তর দ্রুত কমে যাওয়ায় মঙ্গলবার থেকে উৎপাদন আরও কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, কিছুদিন আগেও দুটি ইউনিট চালু রেখে উৎপাদন অব্যাহত ছিল। তবে পানি কমতে থাকায় এখন একটিমাত্র ইউনিট সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, শিগগির বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম।
কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়া স্বাভাবিক হলেও এবারের পরিস্থিতি তুলনামূলক বেশি সংকটজনক। রুলকার্ভ অনুযায়ী যেখানে পানির স্তর থাকার কথা ৮৩.৮০ এমএসএল, সেখানে বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৭৭.৪৭ এমএসএলে।
কাপ্তাই হ্রদ-এর পানির ওপর নির্ভরশীল এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি মৌসুমভিত্তিক। তাই বর্ষা শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই উৎপাদন সংকট অব্যাহত থাকতে পারে, যা জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহেও প্রভাব ফেলতে পারে। 

 

Thursday, April 23, 2026

April 23, 2026

হামে আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে বাবার আবেগঘন পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোড়ন

নিজের ছোট শিশুর অসুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম নামে এক ব্যক্তি। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে দেওয়া ওই পোস্টটি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে এবং অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই শিশুটির সুস্থতা কামনা করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি তার সন্তানের জন্ম থেকে শুরু করে বেড়ে ওঠার মধুর মুহূর্তগুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, সাত মাস আগে সন্তানের জন্মের পর থেকেই ধীরে ধীরে হাসতে শেখা, বাবাকে দেখে হাসিমুখে সাড়া দেওয়া—এসব স্মৃতি তাকে ভীষণভাবে আবেগাপ্লুত করে। শিশুটি সাধারণত খুব শান্ত স্বভাবের ছিল, খুব কমই কাঁদত।

কিন্তু হঠাৎ করেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। প্রথমে জ্বর, পরে নিউমোনিয়া ধরা পড়ে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে শিশুটি হামে আক্রান্ত হয়। বর্তমানে তার শরীরজুড়ে ফুসকুড়ি দেখা দিয়েছে এবং আগের মতো হাসিখুশি না থেকে এখন প্রায়ই কাঁদছে।

পোস্টে বাবা তার সন্তানের কষ্ট দেখে নিজের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করেন। তিনি আবেগঘন ভাষায় উল্লেখ করেন, সন্তানের কাছে বারবার ক্ষমা চেয়েছেন এবং তার এই দুর্দশার জন্য নিজেকে দায়ী মনে করছেন। একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও টিকাদান কার্যক্রম নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এই পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকেই শিশুটির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন এবং পরিবারটির প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন।

April 23, 2026

গরমে সুস্থ থাকতে গ্রীষ্মের ফল: পুষ্টিগুণ, উপকারিতা ও খাওয়ার সঠিক নিয়ম 🍉🥭

বাংলাদেশে গ্রীষ্ম মানেই রঙিন ফলের মৌসুম 🍉🥭। জ্যৈষ্ঠ মাসকে “মধুমাস” বলা হয়—কারণ এই সময় বাজার ভরে ওঠে রসালো, সুগন্ধি ও পুষ্টিকর ফল দিয়ে। শুধু স্বাদের জন্য নয়, এই ফলগুলো শরীরের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। তবে সঠিকভাবে ও পরিমিত পরিমাণে খাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
🍎 গ্রীষ্মের ফল কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
গরমে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায় ঘামের মাধ্যমে। ফলে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এই সময় ফল খাওয়া খুব কার্যকর, কারণ—
বেশিরভাগ ফলেই পানির পরিমাণ বেশি 💧
ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে
🥭 জনপ্রিয় গ্রীষ্মকালীন ফল ও উপকারিতা
আম
ফলের রাজা বলা হয় আমকে। এতে আছে ভিটামিন A, C, E, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
👉 চোখ ভালো রাখে
👉 কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
👉 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
কাঁঠাল
বাংলাদেশের জাতীয় ফল 🇧🇩
👉 প্রচুর শক্তি দেয়
👉 ফাইবার বেশি, হজমে সহায়ক
👉 কাঁচা কাঁঠাল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
লিচু
👉 ভিটামিন C সমৃদ্ধ
👉 ত্বক ভালো রাখে
👉 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
জাম
👉 হজমে সাহায্য করে
👉 ডায়রিয়া ও আলসারে উপকারী
👉 রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
পেয়ারা
👉 ভিটামিন C এর দারুণ উৎস
👉 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
👉 হজম ভালো রাখে
তরমুজ 🍉
👉 শরীর ঠান্ডা রাখে
👉 পানিশূন্যতা দূর করে
👉 স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে
সফেদা
👉 দ্রুত শক্তি দেয়
👉 মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক
আমড়া, জামরুল, লটকন, বেল
👉 হজম ভালো রাখে
👉 শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহ করে
👉 পেটের নানা সমস্যায় উপকারী
⚠️ ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
✔️ পরিমিত খেতে হবে – বেশি খেলেও সমস্যা হতে পারে
✔️ ডায়াবেটিস রোগীদের সতর্কতা দরকার – মিষ্টি ফল হিসাব করে খেতে হবে
✔️ ফল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি না খাওয়াই ভালো
✔️ কিডনি রোগীদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে
🌿 গরমে সুস্থ থাকতে কী করবেন?
নিয়মিত পানি পান করুন 💧
রসালো ফল বেশি খান
অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কমান
বাইরে গেলে পানি ও ফল সঙ্গে রাখুন

সব ফলই উপকারী, কিন্তু “যত বেশি তত ভালো” — এই ধারণা ঠিক না। আপনার শরীর, বয়স ও স্বাস্থ্য অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে ফল খাওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায়।


 

April 23, 2026

মহাবিশ্ব কেন দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে—বিজ্ঞানীদের নতুন রহস্য

মহাবিশ্ব যে সম্প্রসারণশীল, তা বহুদিন ধরেই জানা। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই প্রসারণ নির্ধারিত গতির চেয়েও দ্রুত হচ্ছে—যা বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন এক ধাঁধা তৈরি করেছে। 
যুক্তরাষ্ট্রের NSF NOIRLab এবং Space Telescope Science Institute-এর বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের প্রসারণের হার নির্ণয়ে সবচেয়ে নির্ভুল গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন। তাদের গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে Astronomy and Astrophysics সাময়িকীতে।
 কীভাবে মাপা হলো মহাবিশ্বের প্রসারণ?
বিজ্ঞানীরা মূলত দুইটি পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন—
কাছাকাছি নক্ষত্র ও ছায়াপথের গতি পর্যবেক্ষণ
মহাবিশ্বের প্রাথমিক অবস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে তাত্ত্বিক পূর্বাভাস তৈরি
তাত্ত্বিকভাবে এই দুই পদ্ধতির ফল একই হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।
পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রসারণের হার ≈ প্রতি সেকেন্ডে ৬৭–৬৮ কিমি
বাস্তব পর্যবেক্ষণে পাওয়া গেছে ≈ প্রতি সেকেন্ডে ৭৩.৫ কিমি
এই পার্থক্যটাই বিজ্ঞানীদের কাছে পরিচিত হাবল টেনশন নামে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
সংখ্যার পার্থক্য ছোট মনে হলেও বৈজ্ঞানিকভাবে এটি বিশাল। কারণ, এটি আমাদের বর্তমান মহাবিশ্ব বোঝার মডেলকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, এটি কোনো পরিমাপগত ভুল নয়। অর্থাৎ সমস্যা আমাদের বোঝাপড়ার মধ্যেই আছে।
সম্ভাব্য কারণ কী?
বিজ্ঞানীরা কয়েকটি সম্ভাবনার কথা বলছেন—
ডার্ক এনার্জি-এর প্রভাব সঠিকভাবে বোঝা যায়নি
নতুন কোনো অজানা কণা বা শক্তি থাকতে পারে
মহাকর্ষের নিয়ম সম্পর্কে আমাদের ধারণা অসম্পূর্ণ হতে পারে
ডার্ক এনার্জি এমন এক রহস্যময় শক্তি, যা মহাবিশ্বের সবকিছুকে একে অপর থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এই শক্তির ভূমিকা হয়তো আমরা এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারিনি।
গবেষণায় কী ব্যবহার করা হয়েছে?
এই গবেষণায় ৪০ জন বিজ্ঞানী একসঙ্গে কাজ করেছেন। তারা “লোকাল ডিস্ট্যান্স নেটওয়ার্ক” মডেল ব্যবহার করে—
রেড জায়ান্ট তারকা
সুপারনোভা বিস্ফোরণ
বিভিন্ন গ্যালাক্সির তথ্য
বিশ্লেষণ করেছেন।
বড় প্রশ্নটা কী?
বিজ্ঞানীরা আগে মনে করতেন, বিগ ব্যাং-এর পর সময়ের সাথে মহাবিশ্বের প্রসারণ ধীরে ধীরে কমে আসবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, উল্টোভাবে এর গতি বাড়ছে!
এই নতুন আবিষ্কার শুধু একটি পরিমাপের পার্থক্য নয়—এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের মৌলিক ধারণা হয়তো অসম্পূর্ণ।
বিজ্ঞানীদের জন্য এটি যেমন চ্যালেঞ্জ, তেমনি নতুন আবিষ্কারের দরজাও খুলে দিচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো আমরা মহাবিশ্বের আরও গভীর রহস্য উন্মোচন করতে পারব।


 

April 23, 2026

হরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইরানের আশ্বাস

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাস। 
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও তারা বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্রিয় রয়েছে। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে ইরান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতেও তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
সম্প্রতি আন্তালিয়া ফোরাম-এর সাইডলাইনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে স্বাগত জানানো হয়েছে। এ ধরনের গঠনমূলক আলোচনা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থানের প্রশংসাও করেছে ইরান। পাশাপাশি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি-এর মৃত্যুতে বাংলাদেশের শোকপ্রকাশ এবং জাতীয় সংসদে শোকপ্রস্তাব গ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-এর মাধ্যমে ইরানে জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ইরান। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
এছাড়া, সম্প্রতি আজারবাইজান হয়ে ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সহায়তা করার কথাও জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে দূতাবাস।
তবে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে কিছু গণমাধ্যমের আংশিক বা খণ্ডিত বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ইরান। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচার দুই দেশের সুসম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, চলমান উত্তেজনার মধ্যেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে দুই দেশই ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।


 

April 23, 2026

৩ হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলেন বিএনপি নেতা

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে গিয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (বিকেলে) উপজেলার দক্ষিণ গাবুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। 
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ গাবুয়া গ্রামের সমীর চন্দ্র হাওলাদারের বসতঘরের পাশে একটি মন্দিরের গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে তার ভাই শংকর চন্দ্রের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় খবর পেয়ে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মজিবর রহমান ঘটনাস্থলে যান।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি শংকর চন্দ্রের পক্ষ নিয়ে সমীর চন্দ্রকে লাঠি দিয়ে মারধর শুরু করেন। সমীরকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রী সবিতা রানী ও মেয়ে ঝিলিক রানীকেও বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তারা বাড়িতে থাকলেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত মজিবর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে মারধর করেননি। বরং দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তার দাবি, একটি মহল তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন নান্নু বলেন, কারো ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলের অবস্থান বিবেচনা না করেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম জানান, ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

 

"
"