কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Wednesday, September 23, 2026

September 23, 2026

নাগেশ্বরীতে মধ্যরাতে মন্দিরে হামলা, মহাদেবের প্রতিমা চুরির চেষ্টা

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় একটি পারিবারিক মন্দিরে মধ্যরাতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মন্দির থেকে মহাদেবের প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পশ্চিম রায়গঞ্জ এলাকায় শ্রী সমবারু দাস ও শ্রী অতিকান্তের বাড়ির পারিবারিক মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, রাতে কয়েকজন ব্যক্তি মন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একই সঙ্গে মন্দিরের ভেতরে থাকা বিভিন্ন পূজার সামগ্রী ও অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়।

হামলার শব্দ শুনে বাড়ির লোকজনের ঘুম ভেঙে যায়। তারা বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার করলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। পালানোর সময় অভিযুক্তদের একজন একটি মুঠোফোন ফেলে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পরে মন্দিরে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, মহাদেবের প্রতিমাটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। মন্দিরের পূজার সামগ্রীসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া মুঠোফোনটি প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে হামলার পেছনে কারা রয়েছে বা কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।



September 23, 2026

বাগেরহাটে কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, তদন্তে পুলিশ


বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাট সদর উপজেলার খাড়াসম্বল গ্রামের দক্ষিণপাড়া সর্বজনীন শ্রীশ্রী কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পূজার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে স্থানীয়রা মন্দিরের ভেতরে ভাঙচুর করা প্রতিমা পড়ে থাকতে দেখেন।

স্থানীয়রা জানান, নিয়মিত পূজার আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে মন্দিরে গেলে প্রতিমাটি বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। এমনকি প্রতিমার মাথাও বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে বলে মন্দির সংশ্লিষ্টরা জানান।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মন্দির কমিটির সদস্য ও স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন। পরে বিষয়টি প্রশাসন ও পুলিশকে জানানো হলে সোমবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সর্বজিৎ হালাদার জানান, প্রতি মঙ্গলবার ওই মন্দিরে কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজার প্রস্তুতির জন্য পরিবারের দুই সদস্য সোমবার দুপুরে মন্দিরে গেলে তারা প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি দেখতে পান। তবে কারা বা কী কারণে প্রতিমাটি ভাঙচুর করেছে, সে বিষয়ে তারা কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন বীথি বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মন্দিরটির দরজা-জানালা খোলা ছিল এবং এটি নিরাপত্তার দিক থেকে সুরক্ষিত নয়। মন্দিরের আশপাশে বসতবাড়িও খুব কাছাকাছি নেই। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কারা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। 

 

September 23, 2026

রাজবাড়ীতে দুর্গাপূজার আগে দুর্গা-সরস্বতীর প্রতিমা ভাঙচুর



রাজবাড়ী প্রতিনিধি: দুর্গাপূজা সামনে রেখে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহের বড়বাজার দুর্গামণ্ডপে দেবী দুর্গা ও সরস্বতীর প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে মণ্ডপের ভেতর থেকে কোদাল আনতে গেলে প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।

মণ্ডপের সভাপতি অরুণ কুন্ডু জানান, ঘটনার সময় মণ্ডপের বাইরে তালা লাগানো ছিল। প্রতিমা ভাঙার ধরন দেখে তাদের ধারণা, বাইরে থেকে কোনো ব্যক্তি লাঠি দিয়ে খোঁচা মেরে প্রতিমার মুখ ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকতে পারে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বড়বাজার দুর্গামণ্ডপে প্রায় ১৫০ বছর ধরে দুর্গাপূজা হয়ে আসছে। দীর্ঘদিনের এই পূজামণ্ডপে উৎসবের আগে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মণ্ডপের সভাপতি অরুণ কুন্ডু।

এদিকে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজবাড়ী হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক অশোক সরকার। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত ভাঙচুরের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

Tuesday, September 22, 2026

September 22, 2026

কেরানীগঞ্জে দুই যুবককে গুলি করে ২০–২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ


ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার হযরতপুর বাজার এলাকায় দুই যুবককে গুলি করে ২০ থেকে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন ২৫ বছর বয়সী অন্তর সরকার ও তাঁর পিসতুতো ভাই ২০ বছর বয়সী রাজিব সরকার। তাঁদের দুজনের পায়েই গুলি লেগেছে। বর্তমানে তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার আটিপাড়া এলাকায়।

আহত অন্তর সরকার জানান, হযরতপুর বাজারে তাঁদের একটি জুয়েলারির দোকান রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করার পর তিনি, তাঁর বাবা নিতাই সরকার ও রাজিব সরকার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে একটি অটোরিকশায় করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হযরতপুর এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি এবং একটি সিএনজি অটোরিকশায় থাকা আরও কয়েকজন তাঁদের অটোরিকশার পথরোধ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা গুলি চালালে অন্তর ও রাজিব পায়ে গুলিবিদ্ধ হন।

অন্তর সরকারের অভিযোগ, এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁদের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকারের একটি টিফিনবাক্স নিয়ে যায়। ওই বাক্সে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ছিল বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় পাঁচ থেকে ছয়টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত অন্তর ও রাজিবকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর হযরতপুর এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কারা জড়িত এবং প্রকৃতপক্ষে কত পরিমাণ স্বর্ণালংকার বা নগদ টাকা খোয়া গেছে, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

September 22, 2026

চা-শ্রমিক পরিবারের সন্তান চম্পা এখন অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক


মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লংলা চা-বাগানের শ্রমজীবী পরিবারে জন্ম চম্পা নাইডুর। চা-বাগানের সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই বেড়ে ওঠা সেই চম্পাই এখন ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক। তার গবেষণার বিষয় বাংলাদেশের চা-শ্রমিকদের জীবন, মানবাধিকার ও সামাজিক বাস্তবতা।

চম্পার শিক্ষাজীবনের শুরু চা-শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য পরিচালিত ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে। ২০১০ সালে সেখানে ভর্তি হওয়ার পর বিনামূল্যে পড়াশোনা ও আবাসনের সুযোগ পান তিনি। ২০১৫ সালে ক্যামেলিয়া ডানকান হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে কুলাউড়ার ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

উচ্চশিক্ষার পথেও বৃত্তি তার এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম সহায়তা হয়ে ওঠে। ডাচ্-বাংলা ফাউন্ডেশনের বৃত্তি নিয়ে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি নিজের বেড়ে ওঠার পরিবেশ ও চা-শ্রমিকদের জীবনকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা চম্পার চিন্তাভাবনায় গভীর প্রভাব ফেলে। চা-শ্রমিকদের শিক্ষা, অধিকার, জীবনমান ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার মধ্যে।

২০২৩ সালে ভারত সরকারের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (ICCR) স্কলারশিপ নিয়ে ভারতে যান চম্পা। এরপর অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। নিজের পূর্বপুরুষদের শেকড় অন্ধ্র অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি তার কাছে বিশেষ গুরুত্ব পায়।


২০২৫ সালে আবারও ICCR স্কলারশিপ অর্জন করেন চম্পা। একই বছর অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি গবেষক হিসেবে ভর্তি হন। এর আগে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে নিজের শেকড়ের টানে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়েই গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।


বর্তমানে তার গবেষণার সময়কাল ২০২৫ থেকে ২০২৮ সাল। গবেষণায় বাংলাদেশের চা-শ্রমিকদের জীবনযাপন, মানবাধিকার ও সামাজিক বাস্তবতার পাশাপাশি তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে নীতিমালার মাধ্যমে কীভাবে চা-শ্রমিকদের জীবনমান ও সামাজিক মর্যাদা উন্নত করা সম্ভব, সেটিও গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


লংলা চা-বাগানের শ্রমজীবী পরিবার থেকে উঠে এসে ভারতের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পাওয়ায় চম্পা এখন নিজ এলাকার মানুষের কাছেও অনুপ্রেরণার নাম। বিশেষ করে চা-বাগানের শিশু-কিশোরদের কাছে তার শিক্ষাজীবনের সাফল্য নতুন স্বপ্ন দেখার সাহস জোগাচ্ছে।


চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারের সন্তান থেকে আন্তর্জাতিক পরিসরে গবেষণার সুযোগ পাওয়া চম্পা নাইডুর পথচলা তাই শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, বরং সীমিত সুযোগের মধ্যেও শিক্ষার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার একটি উদাহরণ।


 

Sunday, September 20, 2026

September 20, 2026

২৩ বছর ধরে ফুটপাতে জুতা পালিশ, ফাঁকে ফাঁকে পত্রিকা পড়েন অনন্ত

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা সদরের ভবানীগঞ্জ বাজারের ফুটপাতে দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে জুতা পালিশ করছেন অনন্ত চন্দ্র দাস (৪১)। পেশায় চর্মকার হলেও তাঁর নিয়মিত পত্রিকা পড়ার অভ্যাসই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। কাজের ফাঁকে তিনি পত্রিকা পড়েন, আর কোনো খবর আকর্ষণীয় মনে হলে সেটি পরে নিরিবিলিতে পড়ার জন্য রেখে দেন।

গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে ভবানীগঞ্জ উপজেলা সড়কের পাশে তাঁর সঙ্গে দেখা হয়। অনন্ত জানান, ছোটবেলা থেকেই পত্রিকা পড়ার আগ্রহ ছিল তাঁর। ২০০৩ সালে নিয়মিত পত্রিকা কেনা শুরু করেন।那时 এলাকায় চরমপন্থীদের তৎপরতা ও খুনের ঘটনা ঘটত। স্থানীয় পত্রিকায় এসব ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশিত হতো। সেসব জানার আগ্রহ থেকেই পত্রিকা কেনা শুরু করেন তিনি। তখন দুই টাকা দামের স্থানীয় পত্রিকা কিনতেন। এখনো সেই অভ্যাস ধরে রেখেছেন।

অনন্ত জানান, প্রতিদিন সকালে দোকানে যাওয়ার পর হকারের কাছ থেকে পত্রিকা নেন। কাজের চাপ কম থাকলে গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো পড়ে নেন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার সময় পত্রিকাটি ব্যাগে করে নিয়ে যান। হাতে পত্রিকা দেখলে কেউ ঠাট্টা করতে পারে, এই আশঙ্কায় এমনটি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘পেপার পড়া আমার নেশা ও অভ্যাস হয়ে গেছে। না পড়লে ভালো লাগে না। পত্রিকা পড়াতে কোনো পেশার প্রয়োজন হয় না। আগ্রহই যথেষ্ট।’

করোনা মহামারিতে তাঁর খুব কষ্ট হয়েছিল। কয়েক দিন পত্রিকা বন্ধ থাকায় এবং ব্যবসা না হওয়ায় তখন বিপাকে পড়েন অনন্ত। এই পেশাকে খাটো করে দেখেন না তিনি।

দোকানে পত্রিকা থাকলে অনেক খদ্দেরকে ধরে রাখা যায় বলে জানান অনন্ত। তিনি বলেন, জুতা পালিশে যতটুকু সময় লাগে, তখন খদ্দেরের হাতে পেপার ধরিয়ে দিলে তিনি পড়ে সময় পার করেন। এতে করে নিজের পড়ার পাশাপাশি অন্যকেও পড়ানো যায়।

অনন্ত লেখাপড়া চতুর্থ শ্রেণির পর এগিয়ে নিতে পারেননি। বাপ-দাদার পেশাই ধরে রেখেছেন। প্রতিদিন জুতা পালিশ করে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। সংসারের খরচ মিটিয়ে মাসে ১০০ টাকা পত্রিকা কেনার জন্য রাখেন।

ভবানীগঞ্জ বাজারের পত্রিকা বিক্রেতা সঞ্জয় কুমার কুণ্ডু বলেন, অনন্ত তাঁর দীর্ঘদিনের নিয়মিত ক্রেতা। পত্রিকা পৌঁছাতে দেরি হলে তিনি নিজেই দোকানে এসে পত্রিকা নিয়ে যান।

ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক রেজাউনাল করিম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পথের ধারে অনন্তকে পত্রিকা পড়তে দেখে আসছি। তাঁর এই অভ্যাস আমাকে মুগ্ধ করেছে।’

অন্যের জায়গায় কুঁড়েঘর বানিয়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন অনন্ত। তাঁর একমাত্র চাওয়া, নিজের থাকার একটু জায়গা। সরকারি ঘরের জন্য চেষ্টা করেও তা পাননি।

গণিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুস সোবহান মণ্ডল বলেন, অনন্ত তাঁদের ওয়ার্ডের বাসিন্দা। উপজেলা প্রশাসন চাইলে তাঁকে সহযোগিতা করতে পারে।


 

September 20, 2026

আজ স্ত্রীর প্রশংসা দিবস

আজ সেপ্টেম্বরের তৃতীয় রোববার। বিভিন্ন দেশে দিনটি ‘স্ত্রীর প্রশংসা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর অবদান, ভালোবাসা, যত্ন ও ত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এ দিনটি পালিত হয়।

২০০৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটি পালনের তথ্য পাওয়া যায়। এরপর বিভিন্ন দেশে দিনটি ছড়িয়ে পড়ে। দিনটির মূল লক্ষ্য—পরিবারে স্ত্রীর নীরব অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

একটি সংসার কেবল চার দেয়ালের ঘর নয়। সেখানে থাকে ভালোবাসা, অভিমান, দায়িত্ব, ত্যাগ আর অসংখ্য না-বলা গল্প। এসব গল্পের নীরব নায়িকা হয়ে অনেক সময় পরিবারের পাশে থাকেন একজন স্ত্রী। নিজের ক্লান্তি আড়াল করে পরিবারের সবার মুখে হাসি ফোটানো, স্বামীর দুঃসময়ে পাশে থাকা কিংবা সন্তানদের নিয়ে সারাদিন ছুটে চলা—এসব কাজের অনেকটাই আলাদা করে প্রশংসা পায় না।

জীবনের ব্যস্ততায় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেও অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে। প্রতিদিনের কাজ, অফিস, সংসার ও সন্তান সামলাতে গিয়ে প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসার কথা বলার সময়ও হয়ে ওঠে না। অথচ কাছের মানুষের মুখ থেকে পাওয়া সামান্য প্রশংসাও সম্পর্ককে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে।

এ দিনটি উপলক্ষে দামি কোনো উপহারের প্রয়োজন নেই। অফিস থেকে ফেরার পথে একগুচ্ছ ফুল নিয়ে যাওয়া, হঠাৎ করে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার কথা বলা কিংবা দিনের শেষে দুজন মিলে কিছুটা সময় কাটানোই হতে পারে বিশেষ উপহার। চাইলে প্রিয় স্ত্রীকে একটি ছোট চিঠিও লেখা যেতে পারে। সেখানে সংসারের আড়ালে তার করা ছোট ছোট কাজগুলো যে চোখ এড়ায়নি, তার ত্যাগের মূল্য যে বোঝা হয়—সেসব কথা বলা যেতে পারে। জীবনের কঠিন সময়ে তার পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানানো যেতে পারে।

কারও কাছে স্ত্রী প্রেমের মানুষ, কারও কাছে সবচেয়ে কাছের বন্ধু, আবার কারও কাছে জীবনের কঠিন সময়ে সবচেয়ে নির্ভরতার জায়গা। সম্পর্কের ধরন যাই হোক, জীবনসঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ কখনোই ছোট নয়।

ভালোবাসার জন্য অবশ্য কোনো বিশেষ দিনের প্রয়োজন নেই। তবে এমন একটি দিন যদি মানুষকে প্রিয় মানুষটির প্রতি আরও যত্নশীল হতে এবং তার অবদানের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে, তাহলে এ দিবসের গুরুত্বও কম নয়।


 

Friday, September 18, 2026

September 18, 2026

আজ প্রথম প্রেম দিবস: হৃদয়ের গভীরে রয়ে যাওয়া এক অনুভূতির নাম

বুকের ভেতর চাপা এক সুখের ব্যথা, সেই ব্যথা কি এখনো হয়ে ওঠে চাপা কান্না আর একরাশ দীর্ঘশ্বাস? প্রথম প্রেম—যা কখনো ভোলা যায় না। হৃদয়ের গভীরে উঁকি দেয় থেকে থেকে। কখনো হয়তো বিরতি দিয়ে, কখনো বা ঘন ঘন। তবে প্রথম প্রেমের সেই আবেশ ছড়িয়ে থাকে জীবনজুড়ে। আজ সেই দিন—প্রথম প্রেম মনে করার দিন।

আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ‘প্রথম প্রেম দিবস’। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা শুরু করা এই দিবস এখন প্রেমিক-প্রেমিকার বাইরে গিয়েও হয়ে উঠছে আত্মজ উপলব্ধির এক দিন—ভালোবাসা শুধু প্রাপ্তির নয়, অনুভবেরও।

হুমায়ূন আজাদ বলেছিলেন, ‘দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম।’ প্রেম মানেই তো বারবার নিজেকে উজাড় করে দেওয়া, প্রতিবারই নতুনভাবে জেগে ওঠা।

প্রথম প্রেম মানেই এক অন্যরকম অনুভূতি, যা কখনোই কাউকে বলে বোঝানো যায় না। প্রথম প্রেমে থাকে না কোনো অপরাধবোধ, থাকে শুধু নির্মল ঢেউ। প্রথম স্পর্শ, প্রথম পাশাপাশি হাঁটা, প্রথম একে অন্যের সঙ্গে ভালো-মন্দ শেয়ার করার অনুভূতিই আলাদা।

লতা মুঙ্গেশকরের ‘প্রেম একবারই এসেছিল নীরবে…’ লাইনটি মনে করিয়ে দেয়—প্রথম প্রেমে কোনো জোর থাকে না, থাকে না শর্ত; থাকে শুধু হৃদয়ের এক নির্মল ঢেউ। আহসান হাবিব কবিতায় লিখেছেন—‘তুমি ভালো না বাসলেই বুঝতে পারি ভালোবাসা আছে…’

আজকের এই দিনে কেউ কেউ স্মৃতির পাতায় ফিরে যান, আবার কেউ বুকে জমে থাকা না-বলা কথা নিয়ে খানিকটা কষ্ট পান। তবু প্রথম প্রেম তো শুধুই একজন মানুষ নয়; বরং এক অনুভব, এক সময়, এক নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প।

আজ নিজেকে একটু সময় দিন। ফিরে যান সেই প্রথম ভালোবাসার দিনে—হয়তো সে আপনাকে আবারও নতুন করে ভালোবাসতে শিখিয়ে দেবে। আর প্রথম ভালো লাগার মানুষটি যদি হয় আপনার সঙ্গী, তবে তাকে নিয়েই ভালোবাসার পুরোনো উপাখ্যানে ফিরে যেতে পারেন।


 

September 18, 2026

বান্ডেল হরিজন কলোনিতে চার এতিম শিশুর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, সহায়তার আকুল আবেদন

চট্টগ্রাম সদরের বান্ডেল হরিজন কলোনিতে এক হতদরিদ্র পরিবারের মা ছবি রানী দাশের মৃত্যুতে চার এতিম শিশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার ওপর থেকে মায়ের ছায়া মুছে গেছে, আর বাবা বন্দি আছেন কারাগারে। চরম অর্থসংকট ও অনাহার-অর্ধাহারের মানসিক আঘাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৮টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা যায়, আলোচিত চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী প্রভুর ইস্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি মামলায় প্রায় পাঁচ মাস আগে হরিজন সম্প্রদায়ের লালা দাশকে গ্রেপ্তার করে প্রশাসন। লালা দাশই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিনি কারাগারে বন্দি হওয়ার পর পরিবারে নেমে আসে চরম দুর্দিন।

পরিবারে কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় ছবি রানী দাশ আর্থিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েন। স্বামীর মুক্তির আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরতে ঘুরতে এবং অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাতে কাটাতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।

মৃত ছবি রানী দাশ ও কারাবন্দি লালা দাশ দম্পতির চার সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ের বয়স যথাক্রমে ৫ ও ৭ বছর এবং দুই ছেলের বয়স ১৫ ও ১৮ বছর। বাবা কারাগারে এবং মা মৃত্যুবরণ করায় এই চার সন্তানের ভবিষ্যৎ এখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত অন্ধকারে নিমজ্জিত।

সহযোগিতার আকুল আবেদন

অসহায় এই পরিবারের চার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং তাদের মায়ের শ্রাদ্ধের খরচ মেটানোর জন্য ‘হরিজন সারাক্ষণ’ একটি জরুরি ফান্ড গঠন করেছে। পরিবারের সদস্যরা বয়সে অল্প হওয়ায় এবং তাদের নিজস্ব কোনো বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট না থাকায় ‘হরিজন সারাক্ষণ’ সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে এই তহবিল সংগ্রহ করছে।

সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি ও দেশ-বিদেশের বিত্তবান মানুষদের এই বিপন্ন পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে সংগৃহীত প্রতিটি অনুদান সরাসরি এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে।

সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: (হরিজন সারাক্ষণ)
বিকাশ: ০১৭৪৪৪০৬৭৩৮
নগদ: ০১৩৪১৮৩৩৯৪৪

‘হরিজন সারাক্ষণ’-এর প্রতি আস্থা রেখেই কেবল সহযোগিতা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে। সহযোগিতা পাঠানোর পর ‘হরিজন সারাক্ষণ’-এর নিউজ পেজের কমেন্ট বক্সে আপনার লেনদেনের তথ্যটি জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। আসুন, এই অসহায় শিশুগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিই।


 

Thursday, September 17, 2026

September 17, 2026

পূজার আগেই দর্শনার্থীদের ভিড়/ খুলনার এক মন্দিরেই ১৫২ প্রতিমা, দুর্গোৎসব ঘিরে ব্যতিক্রমী আয়োজন

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে সারা দেশের ন্যায় খুলনায়ও শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা। খুলনা শাহপুর বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে খরসংগ কালার বটতলা সর্বজনীন পূজা মন্দিরে ১৫২ বছর পূর্তিতে ১৫২টি প্রতিমা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

খরসংগ কালার বটতলা সর্বজনীন পূজা মন্দিরের সহসভাপতি নাথুরাম সাহা স্মরণে ১৮৭৭ সালে স্থাপিত এই ১৪৭ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন শুরু হয়েছে। এবার পাঁচ দিনব্যাপী দোলায় আগমন ও ঘোড়ায় গমনের মধ্য দিয়ে বিজয়া দশমীর মাধ্যমে সমাপ্ত হবে।

প্রতিমা শিল্পীরা রংতুলির আঁচড়ে দেবী দুর্গা প্রতিমাকে আকর্ষণীয় করেছেন। তিন মাসে চারজন ভাস্কর অক্লান্ত পরিশ্রমে দেবদেবীর ১৫২টি প্রতিমা তৈরি করেছেন। মন্দিরের ভেতরে-বাইরে গেট, প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

পূজা দেখতে আসা দর্শনার্থী অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সরকার বলেন, বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রামায়ণের কিছু বিশেষ চিত্র তুলে ধরে ১৫২টি প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। এগুলো দেখতে অনেকেই ছুটে আসছেন। অন্যদিকে দর্শনার্থী রিতা রানী দে বলেন, ‘এত প্রতিমা অন্য মণ্ডপে দেখিনি। এখানে এসে এত প্রতিভা দেখে আমরা খুব খুশি।’

খরসংগ কালার বটতলা সর্বজনীন পূজা মন্দিরের পুরোহিত তপন ভট্টাচার্য বলেন, ‘প্রতিবারের তুলনায় এবার দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এই মণ্ডপে ভিড় জমাচ্ছেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে এখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই আনন্দে প্রতিমা দেখতে আসছেন।’

মন্দির কমিটির কোষাধ্যক্ষ সুব্রত সরকার বলেন, ‘গত তিন বছরে খুলনার কোনো মন্দিরে এত প্রতিমা তৈরি হয়নি, যা আমরা করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবেই পূজা উদযাপন করছি। এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা নেই।’


 

"
"