কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Wednesday, September 30, 2026

September 30, 2026

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ১২৯ বছরের ঐতিহ্যবাহী আলোকসজ্জা অর্ধেকে নামাল সাহেবের কবরখানা পূজা কমিটি

বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের ধারাবাহিকতায় দুর্গাপূজায় আলোকসজ্জা সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। সরকারের এই উদ্যোগ ও সার্বিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বিবেচনা করে দায়িত্বশীলতার অনন্য নজির স্থাপন করেছে সাহেবের কবরখানা দুর্গাপূজা কমিটি। ঐতিহ্যবাহী এই পুজো কমিটি তাদের ১২৯ বছরের দীর্ঘ লালিত প্রথা অনুযায়ী নির্ধারিত ঝাকঝমকপূর্ণ আলোকসজ্জার বহর এক ধাক্কায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। 

​পুজো কমিটির কর্তারা জানান, ঐতিহ্য রক্ষা করা যেমন তাদের দায়িত্ব, তেমনই বর্তমান জাতীয় সংকটকালে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সাড়া দেওয়া নাগরিক হিসেবে অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ ১২৯ বছর ধরে চেনা উজ্জ্বল ও জাঁকজমকপূর্ণ আবহে পূজা উদযাপিত হয়ে আসলেও, এই বছর উদ্ভূত বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় তাঁরা পরিমিত ও প্রয়োজনীয় আলোকসজ্জার পথ বেছে নিয়েছেন।

​কমিটির এই সময়োপযোগী ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তকে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি দেশের সংকটের সময়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। উৎসবের আনন্দের সঙ্গে সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ববোধের সমন্বয় ঘটিয়ে সাহেবের কবরখানা পূজা কমিটি একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।” আনন্দের পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধ লালন করার এমন উদ্যোগ অন্যান্য পুজো কমিটিগুলোর জন্যও একটি বড় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

 

September 30, 2026

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলবে অস্ট্রেলিয়া: পেনি ওং


বাংলাদেশের জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সার্বজনীন মানবাধিকারের পক্ষে অস্ট্রেলিয়া কথা বলে যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং।

অস্ট্রেলিয়ার সংসদ সদস্য জুলিয়ান লিসারকে লেখা এক জবাবে তিনি এ কথা জানান। বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর আটক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনরিটিজ ইন বাংলাদেশের উদ্বেগের বিষয়ে গত ১৯ আগস্ট লিসার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন।

জবাবে পেনি ওং বলেন, বাংলাদেশে হিন্দুসহ জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সিভিল আনরেস্টের পর থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তা অস্ট্রেলিয়া বারবার তুলে ধরেছে। ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশন, ঢাকায় বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের এবং বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীদের কাছেও অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

চিঠির শেষ বাক্যে পেনি ওং বলেন, ‘বাংলাদেশের জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সার্বজনীন মানবাধিকারের পক্ষে অস্ট্রেলিয়া কথা বলে যাবে।’ তবে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর আটক বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা জবাবে উল্লেখ করা হয়নি।


 

Tuesday, September 29, 2026

September 29, 2026

রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে হামলার ১৪ বছর: বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ


কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে ভয়াবহ হামলার ১৪ বছর পূর্ণ হলেও এখনো শেষ হয়নি বিচারপ্রক্রিয়া। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে সংঘটিত ওই হামলায় রামুর ১২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০টি বসতঘরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা। তারা দ্রুত বিচার শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

২০১২ সালের ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর রামুর পাশাপাশি উখিয়া ও টেকনাফেও বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে হামলা চালানো হয়। উত্তম বড়ুয়া নামে এক বৌদ্ধ যুবকের বিরুদ্ধে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে রামুর ১২টি বৌদ্ধ বিহার, ৩০টি বসতঘর এবং উখিয়া-টেকনাফের সাতটি বৌদ্ধ বিহার ও ১১টি বসতঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া আরও ছয়টি বৌদ্ধ বিহার ও শতাধিক বসতঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহার ও বসতঘর পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৪ বছরে এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ফিরে এলেও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় ও ধোঁয়াশা কাটেনি বলে জানিয়েছেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা। প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে পুনঃতদন্তের দাবিও জানিয়েছেন অনেকে। স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা বলছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের সাম্প্রদায়িক হামলা প্রতিরোধে রামুর বৌদ্ধ বিহারগুলোতে সরকারি নিরাপত্তা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

এদিকে হামলার ভয়াবহ দিনটি স্মরণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে রামু বুড্ডিস্ট সোশ্যাল মুভমেন্ট বাংলাদেশ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বুদ্ধ উপাসনা, পতাকা উত্তোলন, অষ্টশীল গ্রহণ, চিত্রাঙ্কন ও চিত্র প্রদর্শনী এবং চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে হামলার ঘটনায় মোট ২০টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে বাদীর সম্মতিতে একটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে বাকি মামলাগুলোর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ শীলপ্রিয় মহাথের বলেন, ‘২০১২ সালের এদিনে সংঘটিত সহিংসতার ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা সঠিক বিচার পাইনি। তাই বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ, রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হোক। পাশাপাশি নিরীহ কাউকে যেন বিচারের নামে হয়রানি করা না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।’

কক্সবাজার বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু বলেন, ‘রামু সহিংসতার ১৪ বছরে এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ফিরে এসেছে। রামুর বৌদ্ধরা দৃষ্টিনন্দন বৌদ্ধ বিহার পেয়েছেন। কিন্তু ঘটনার ১৪ বছর পরও মামলার কার্যক্রম প্রাথমিক পর্যায়ে থমকে আছে। পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিলেও একটি মামলাও নিষ্পত্তি হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘রামু সহিংসতার মতো আর কোনো ঘটনা যাতে বাংলাদেশে না ঘটে, সে জন্য এ ঘটনার একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া উচিত।’

মামলার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. ইউনুছ জানান, এ ঘটনায় দায়ের করা ১৮টি মামলার মধ্যে ১১টির সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান রয়েছে। উখিয়ায় চারটি মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সাক্ষীরা নিয়মিত আদালতে আসেন না। এ কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। ফলে মামলার কার্যক্রমও এগোচ্ছে না।’


 

September 29, 2026

শতবর্ষের ঐতিহ্যে খুলনায় এবার ‘ভাইরাল কিউট দুর্গা’: ১২৯ বছরের পা রেখে সাহেবের কবরখানা পূজা কমিটির নজরকাড়া চমক

শারদীয় উৎসবের রঙে রঙিন হতে শুরু করেছে শিল্পনগরী খুলনা। কাশফুলের দোলা আর ঢাকের বাদ্যের অপেক্ষায় যখন ভক্তদের হৃদয় উন্মুখ, ঠিক তখনই খুলনাবাসীর শারদীয় আনন্দে ভিন্ন এক মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ‘সাহেবের কবরখানা পূজা কমিটি’। খুলনা অঞ্চলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই মণ্ডপটি এবার পা রাখতে যাচ্ছে ১২৯তম বর্ষে। দীর্ঘ ১২৮ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস পেছনে ফেলে ১২৯ বছরের এই বিশেষ মাইলফলকটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আয়োজকরা এবার সাজাচ্ছেন এক অনন্য ভুবন, যার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোটি মানুষের হৃদয় জয় করা সেই ‘ভাইরাল কিউট দুর্গা’ প্রতিমা।

​প্রতিটি উৎসবেই মানুষ নতুন কিছুর তৃষ্ণা অনুভব করে। আর সেই তৃষ্ণা মেটাতেই এবার প্রতিমা গড়নে আনা হয়েছে অভূতপূর্ব এক স্নিগ্ধতা ও মাধুর্য। ঐতিহ্যবাহী রূপের পাশাপাশি মৃৎশিল্পীর তুলির আঁচড়ে দেবী দুর্গার প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে এমন এক অপার্থিব মায়া ও মিষ্টতা, যা দেখা মাত্রই যে কারো মন এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে উঠবে। শুধু প্রতিমাতেই নয়, পুরো মণ্ডপজুড়ে থাকছে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার খেলা এবং আবহ তৈরিতে থাকছে বিশেষ নান্দনিকতা। মণ্ডপের প্রতিটি কোণায় থাকবে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো আবহ, যা উৎসবের আবহকে করে তুলবে আরো বেশি গভীর ও মহিমাময়।

​আয়োজক কমিটির সদস্যরা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, খুলনা মহানগরী ও পুরো জেলা জুড়ে যেসব পুজো অনুষ্ঠিত হয়, তার মধ্যে নান্দনিকতা, আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের সেরা মেলবন্ধন ঘটবে এবার সাহেবের কবরখানা মণ্ডপেই। দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ও ভালোবাসায় পুরো এলাকা উৎসবের মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে মনে করছেন তারা। লাখো দর্শনার্থীর সমাগম সামাল দিতে এবং প্রত্যেকের জন্য নির্বিঘ্ন প্রতিমা দর্শনের ব্যবস্থা করতে গ্রহণ করা হয়েছে সুসংহত প্রস্তুতি।

​সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী শুভ পঞ্চমী তিথিতেই বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে মণ্ডপের দ্বার উন্মোচন করা হবে। আর ওই দিন থেকেই সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে প্রতিমা দর্শনের সুযোগ। শরতের আমেজ আর ১২৯ বছরের ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে এবার খুলনার সাহেবের কবরখানা পূজা মণ্ডপ যে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয় জয় করে নেবে—তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।


 

September 29, 2026

বরিশালে ৮০ বছরের বৃদ্ধার দোকান দখল ও লুটপাটের অভিযোগ, ২৫ বছরেও বিচার পাননি


বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চকবাজারের একটি ছোট্ট দোকান ৮০ বছরের বৃদ্ধা মালতী রাণীর জীবনের শেষ সম্বল। এই সম্বলটুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। দীর্ঘ আড়াই দশক পেরিয়ে গেলেও আজও তিনি ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন; মামলাটি বর্তমানে বরিশাল সিনিয়র সিভিল কোর্টে বিচারাধীন।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট ও প্রভাব খাটিয়ে মো. জামাল হোসেন নোমান এবং তার ভাই মো. হুমায়ুন কবির লিংকু দীর্ঘদিন ধরে এই অসহায় সনাতনী বৃদ্ধা ও তার পরিবারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। গত ৬ আগস্ট দেশে তৈরি হওয়া অস্থায়ী অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে তারা পুনরায় ওই দোকানটিতে অতর্কিত হামলা, চরম ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাট চালান। জীবন বাজি রেখে বাধা দিতে গেলে ৮০ বছরের বৃদ্ধা মালতী রাণী, তার কন্যা ও জামাতাকে শারীরিক নির্যাতন ও মারধর করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আইনগত প্রক্রিয়াকে ফাঁকি দিতে অভিযুক্তরা ২০০৪ সালের মূল দেওয়ানি মামলার বিষয়টি গোপন করে উল্টো মালতী রাণীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। কেবল জেরার নামে আদালতের ১৯টি কার্যদিবস পার করে বিচারপ্রক্রিয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্থবির করে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও এই প্রভাবশালী চক্রের দাপট কমেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ অমানবিক বিচারহীনতা, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে আশি ছুঁইছুঁই এই সনাতনী বৃদ্ধা জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছে মৃত্যুশয্যায় শায়িত। বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের দিকে সুশীল সমাজের প্রশ্ন—যে ন্যায়বিচার একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার, তা কি তবে এই অসহায় বৃদ্ধার মৃত্যুর পর আসবে?


 

Monday, September 28, 2026

September 28, 2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সাবেক প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে হানা, জিম্মি করে লুটপাটের অভিযোগ


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গভীর রাতে সাবেক এক প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে হানা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক প্রধান শিক্ষক বাবু বিদ্যুৎ কান্তি দেবকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে রাখা হয় বলে জানা গেছে।

২৪ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো একসময় একদল দুর্বৃত্ত বিদ্যুৎ কান্তি দেবের বাসায় প্রবেশ করে। তারা প্রথমে তাকে জিম্মি করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলে। পরে পরিবারের অন্য সদস্যদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে বাসায় তল্লাশি চালায়।

এ সময় দুর্বৃত্তরা বাসা থেকে স্বর্ণালংকার, তামা, কাঁসাসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর গোকর্ণ এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নাসিরনগরে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


 

September 28, 2026

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জমি বিরোধে স্কুল শিক্ষককে দা দিয়ে হামলা, আহত ১

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জমি বিরোধের জেরে পাথারিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র বর্মনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাথারিয়াকান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র বর্মনের রেকর্ডভুক্ত একটি জায়গা নিয়ে একই গ্রামের সদর আলীর ছেলে টিনু মিয়ার (৪০) সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল ৯টার দিকে টিনু মিয়া তার ছেলে সঠিক মিয়া, ভাগিনা মনির মিয়াসহ ৫-৬ জনকে নিয়ে ওই জায়গায় যান। এ সময় তারা জায়গাটি নিজেদের দাবি করে সেখানে লাল নিশান টানানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

বিষয়টি জানতে পেরে রবি চন্দ্র বর্মনের ছেলে ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র বর্মন সেখানে গিয়ে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষ তর্কে জড়ায় বলে স্থানীয়রা জানান।

পরে সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লিটন চন্দ্র বর্মনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, টিনু মিয়া, তার ছেলে সঠিক মিয়া, ভাগিনা মনির মিয়াসহ আরও কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তার মাথায় গুরুতর জখম হয় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত শিক্ষক লিটন চন্দ্র বর্মন জানান, জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এর আগেও টিনু মিয়া তাকে হুমকি দিয়েছিলেন। আজ বিদ্যালয়ের সামনে এসে গালিগালাজ করে পেছন থেকে মাথায় দা দিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথা কেটে গেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত টিনু মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাম হোসেন বলেন, ‘ঘটনার কথা শুনেছি। আহত শিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


 

September 28, 2026

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসতভিটা দখলের অভিযোগ, আহত ৩


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একটি পরিবারের বসতভিটা জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রূপগঞ্জ ইউনিয়নের মুশুরি ঠাকুরবাড়ি এলাকায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বাধা দেওয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে আহত করারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য লিটন অধিকারী জানান, রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুশুরি মৌজার ৫৬২, ৫৮৯ ও ৫৬৪ নম্বর দাগের জমি তার বাবা শান্তি অধিকারী ও কাকা চিন্তাহরণ অধিকারী কিনে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। বসতভিটার ওই জমি নিয়ে প্রতিবেশী বিশ্বজিৎ অধিকারীদের সঙ্গে তাদের ২৬ বছর ধরে আদালতে মামলা চলছে এবং জমিটি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সোমবার সকালে রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নুরুন্নবী ভূঁইয়ার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারই চাচাতো ভাই ও সামাউন গ্রুপের প্রধান সামাউন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল রামদা, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড ও স্টিলের পাইপসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বসতভিটায় যায়। পরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি মেপে সীমানা খুঁটি গেড়ে দখলের চেষ্টা করা হয়।

তাদের অভিযোগ, এ সময় বাধা দিলে লিটন অধিকারী, তার বড় ভাই দুলাল অধিকারী ও বৃদ্ধ বাবা শান্তি অধিকারীকে মারধর করে আহত করা হয়। হামলাকারীরা পরিবারের সদস্যদের হত্যার পাশাপাশি গুম করার হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সামাউন ভূঁইয়া বলেন, অক্ষয় অধিকারী নামের একজনের কাছ থেকে জমি কিনেছেন এবং ন্যায়সংগতভাবেই জমিতে গিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নুরুন্নবী ভূঁইয়া বলেন, সামাউন ভূঁইয়া তার চাচাতো ভাই হলেও তাদের সম্পর্ক ভালো নয়। বসতভিটা দখলের বিষয়টি তিনি এইমাত্র জেনেছেন। তার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে জমি দখলের প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন, ‘আমি প্রশাসক হিসেবে আমার কাছে বিচার চাইলে সঠিক বিচার করব।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ওই পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল বিন শফিক জানান, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।

 

September 28, 2026

যশোরের অভয়নগরে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী তনুশ্রী বিশ্বাস নিখোঁজ

যশোরের অভয়নগরে চাকরির ভুয়া প্রলোভন দেখিয়ে তনুশ্রী বিশ্বাস (১৪) নামের নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে অভয়নগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অপহৃত তনুশ্রী বিশ্বাস উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের নলামারা গ্রামের অমর বিশ্বাস ও ঝর্ণা বিশ্বাস দম্পতির কন্যা। সে খুলনার শিরোমণি এলাকার জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর (রোববার) দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে থেকে তনুশ্রী নিখোঁজ হয়। প্রথমে তাকে বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করে না পেয়ে অভয়নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১৩৯১) দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতি মাসে এক লাখ টাকার বেশি উপার্জনের লোভনীয় কাজের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টা থেকে আড়াইটার মধ্যে নলামারা গ্রামস্থ বাড়ির সামনে থেকে তাকে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে নিয়ে যায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

ঘটনার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) অপহৃত তনুশ্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভয়নগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন—রাতুল শেখ (২১), মুজাহিদ মোল্লা (২৩), তাজউদ্দিন শেখ (৫৫), রানী বেগম (৪৫), তমা খাতুন (১৯) এবং সেকেন্দার শেখ (৪০)। আসামিদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপহরণ ও এতে সরাসরি সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভয়নগর থানা পুলিশ জানায়, এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, কোনো সহৃদয় ব্যক্তি অপহৃত তনুশ্রী বিশ্বাসের সন্ধান পেলে বা কোনো তথ্য জানা থাকলে অনতিবিলম্বে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে (যোগাযোগ: মনীষা বিশ্বাস — ০১৭৫৬৮৫৬০৫৭)। সন্ধানদাতাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।


 

Sunday, September 27, 2026

September 27, 2026

সংখ্যালঘু নারীদের নিরাপত্তা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি

বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সামাজিক অধিকার রক্ষা এবং নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে সম-অধিকার ও সম-মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু নারীদের প্রতি সব ধরনের বৈষম্য ও নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমনা গুপ্ত।

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। তাদের প্রতি বৈষম্য ও নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তাদের সম-অধিকার ও সম-মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেন তারা।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিশিষ্ট চিকিৎসক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আবদুন নূর তুষার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা জয়ন্ত সেন দীপু এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও প্রমুখ।
"
"