কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Tuesday, March 17, 2026

March 17, 2026

শেষ শ্রদ্ধায় চিরবিদায় নিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তী

 

বিশেষ প্রতিবেদক, কুমিল্লা: কুমিল্লা মহানগর যুব ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তীর পিতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তী আর নেই। গতকাল ১৬ই মার্চ ২০২৬ইং রোজ সোমবার রাত ১২:৩৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । তাঁর মৃত্যুতে কুমিল্লার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
​মঙ্গলবার বীর মুক্তিযোদ্ধা রঞ্জিত চক্রবর্তীর মরদেহে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর কুমিল্লার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
​বিশেষ করে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর ও জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
​মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তী চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর দেশপ্রেম এবং সাহসিকতা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
​তাঁর এই চির বিদায়ে কুমিল্লার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। 
বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি রানা চক্রবর্তীর পিতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তীর অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

ঔঁ দিব্যান্ লোকান্ স্ব গচ্ছতু।
 পরবর্তীতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখা; বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখা; এবং বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখার পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
মহান এই মানুষটির বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই আমাদের আন্তরিক সমবেদনা।
হে পরম করুণাময়, আপনি তাঁকে চিরশান্তি দান করুন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। 
শ্রদ্ধাঞ্জলিতে উপস্থিত ছিলেন -চন্দন রায় সভাপতি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা, অধ্যক্ষ তাপস বকসী সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা, কমল চন্দ খোকন আহ্বায়ক বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখা, শ্যামল কুমার কুন্ড যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, বিকাশ দাশ সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর, শ্যামল দে সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা, উল্লাস দে শোভন সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ, রমিত রবি দাস ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর, পল্লব দত্ত আহ্বায়ক বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা, প্রিয়ম পাল সদস্য বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর, সহ অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ.


Monday, March 16, 2026

March 16, 2026

খুলনায় মন্দির কমিটির সভাপতিকে মব করে আটকে রাখার অভিযোগ, পুলিশি সহায়তায় উদ্ধার

 


খুলনা মহানগরীর বয়রা শ্মশান ঘাট পূজা খোলা সর্বজননী মন্দিরের সভাপতি শ্যামল কৃষ্ণ মিস্ত্রি (৬২) স্থানীয় একদল সন্ত্রাসীর আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ বিকেল ৫টা থেকে তাকে মন্দিরের ভেতর 'মব' করে গুরুত্বর আহত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে একদল উচ্ছৃঙ্খল লোক অতর্কিতভাবে মন্দিরে প্রবেশ করে এবং শ্যামল কৃষ্ণ মিস্ত্রিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। এ সময় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি মন্দিরের ভেতরেই অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুরুত্বর আহত অবস্থায় শ্যামল কৃষ্ণ মিস্ত্রিকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে ও ঘটনার তদন্তের জন্য সোনাডাঙ্গা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তিনি বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

Saturday, March 14, 2026

March 14, 2026

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা-নির্যাতনের প্রতিবাদে খুলনায় মানববন্ধন

 


খুলনাসহ সারাদেশে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সহ সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, নির্যাতন, হত্যা, মন্দির ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর এবং সম্পদ দখলের প্রতিবাদে খুলনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকালে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও সংখ্যালঘু ঐক্যমর্চা এর 
 উদ্যোগে খুলনা নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি বিজয় কুমার ঘোষ।
খুলনা মহানগর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি সমর কুন্ডু, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক  বিশ্বজিৎ দে মিঠু,   বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার কোষাধক্ষ্য রতন দেবনাথ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সহ-সভাপতি উজ্জ্বল ব্যানার্জি, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অনিন্দ্য সাহা, বাংলাদের ছাত্র ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও খুলনা মহানগর শাখার আহবায়ক এবং সদর থানা পূজা উদযাপন পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু সরকার, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি অলোক দে, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি ত্রয় মানিক শীল, বাবু শীল ও সুশীল দাস, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দ্য় রবিন দাস ও অতনু কর, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক দ্বয় চন্দন দে ও সজল দাস সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা খুলনাঞ্চলসহ সারাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর, হত্যা, ধর্ষণ এবং জমিজমা-সম্পদ দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে বিনা বিচারে ও মিথ্যা মামলায় আটক চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিও জানান।
উক্ত সমাবেশ টি পরিচালনা করেন বাংলাদেশে পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিমান সাহা।




Friday, February 27, 2026

February 27, 2026

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার: বুয়েটের জমি নিয়ে নতুন বিতর্ক

ঢাকার ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ইস্যুটি এখন আর কেবল দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই; অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নসহ প্রবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেও এটি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দখলে থাকা ৫.৩১ বিঘা জমির দাবি থেকে সরে আসার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে বিভক্তি দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে।

ঐতিহাসিক ভিত্তি ও আইনি অবস্থানঐ তিহাসিক নথি অনুযায়ী
১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে ভাওয়াল রাজপরিবারের রাজা রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় ২০ বিঘা জমি দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করেছিলেন। ১৯০৮ সালের এক রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অনুযায়ী, সেবায়েতদের এই জমি ভোগদখলের অধিকার থাকলেও তা বিক্রি বা হস্তান্তরের কোনো আইনি ক্ষমতা নেই। সিএস ও এসএ জরিপেও এই জমির দাগ নম্বর ও সীমানা স্পষ্টভাবে দেবোত্তর হিসেবে সংরক্ষিত।
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু: আংশিক সমঝোতার প্রস্তাব
​সম্প্রতি কিছু সংগঠন ভূমিমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছে যে, বুয়েটের দখলে থাকা ৫.৩১ বিঘা জমির দাবি পরিত্যাগ করে বাকি ৮.৫৯ বিঘা জমি উদ্ধারে মনোযোগ দেওয়া হোক। এই প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে এখন উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
​সমর্থনকারীদের যুক্তি: 
বাস্তব পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানের সাথে বিরোধ না বাড়িয়ে সমঝোতার মাধ্যমে অন্তত অবশিষ্টাংশ পুনরুদ্ধার করা সহজ হবে। বিকল্প হিসেবে বুয়েট ক্যাম্পাসে হিন্দু ছাত্রাবাস বা স্মৃতি মন্দির নির্মাণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
​বিরোধীদের যুক্তি: দেবোত্তর সম্পত্তি শাস্ত্র ও আইন অনুযায়ী অ-হস্তান্তরযোগ্য। আংশিক দাবি ছেড়ে দেওয়ার অর্থ হলো মূল আইনি লড়াইকে দুর্বল করে দেওয়া। তাদের মতে, মৌখিক বা লিখিত—যেকোনো সমঝোতা ভবিষ্যতে পুরো জমির মালিকানা হারানোর পথ প্রশস্ত করতে পারে।
আইনি জটিলতা ও পরামর্শ
​আইনজীবীদের মতে, যেহেতু মামলার নথিতে পুরো ১৩.৯ বিঘা জমিকে বেদখল হিসেবে দেখানো হয়েছে, তাই যেকোনো ধরনের সমঝোতা আদালতের মাধ্যমে চূড়ান্ত হওয়া প্রয়োজন। এছাড়া দানপত্র ও সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র জনসমক্ষে প্রকাশ করলে বিভ্রান্তি কমবে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এসভিএস-বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শ্রী পরিমল চন্দ্র রায় রাণা।
​জাতীয় মন্দিরের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বদ্ধ ঘরে না নিয়ে বরং উন্মুক্ত আলোচনা ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নেওয়ার দাবি উঠেছে। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপই বলে দেবে—ঐতিহাসিক এই দেবোত্তর সম্পত্তির ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে।


 

Thursday, February 26, 2026

February 26, 2026

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভূমিকম্প


রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬।

এ ভূমিকম্পের উত্পত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ভারতে সিকিমে বলেন জানিয়েছেন সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।

এর আগে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টা ৫৩ মিনিটে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ইএমএসসি ওয়েবসাইট অনুযায়ী রিখটার স্কেলে এর মাত্র ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাংগাই অঞ্চলের মনিওয়া শহর থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং মাওলাইক শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৩ দশমিক ০৪১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৪ দশমিক ৭২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার।

 

"
"