কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Thursday, June 4, 2026

June 04, 2026

বরিশালে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া এলাকায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের পৈত্রিক জমি জোরপূর্বক দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক মাদ্রাসা শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে। বুধবার (৪ জুন) দুপুরে গুঠিয়া ইউনিয়নের বালাবাড়ি কীর্ত্তন আঙ্গিনায় সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবার এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অসীম কুমার দাস, সুব্রত কুমার দাস ও সুশান্ত কুমার দাস। তারা জানান, গুঠিয়া মৌজার এসএ ৪০৮ নম্বর দাগের ১১ শতাংশ জমির বৈধ মালিক তারা। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ওই জমি দীর্ঘদিন তারা ভোগ করে আসলেও চরমোনাই আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উজিরপুর শাখার মুজাহিদ কমিটির সভাপতি মাসুদ হাসান ফিরোজ জোরপূর্বক জমিটি দখল করে বহুতল ভবন তুলছেন বলে অভিযোগ তাদের।
তারা আরও জানান, জমি দখলের প্রতিবাদে একাধিকবার সালিশি বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি কৌশলে তা এড়িয়ে যান এবং উল্টো তাদের পরিবারকে হুমকি-ধমকি দিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়, সে সময় তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীরা বলেন, "আমরা সংখ্যালঘু মানুষ, দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক ভিটেমাটি রক্ষায় লড়ছি। জমি দখল আর হুমকির কারণে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।"
পরে উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন হাওলাদার এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু হোসেনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয় বলে জানান তারা। কিন্তু এখনো পুরোপুরি আতঙ্ক কাটেনি।
সংবাদ সম্মেলনে দখলকৃত জমি উদ্ধার, ভবন নির্মাণ বন্ধ ও অভিযুক্তের বিচার দাবির পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, স্থানীয় এমপি সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
তবে একাধিকবার চেষ্টা করেও অভিযুক্ত মাসুদ হাসান ফিরোজের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনের পর ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, ভুক্তভোগী পরিবার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের আশা করছে।
June 04, 2026

চিতলমারীতে ব্যবসায়ী রিপন মন্ডলের ওপর সন্ত্রাসী হামলা: খুলনা হাসপাতালে দেখতে গেলেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠুসহ নেতৃবৃন্দ

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বোয়ালিয়া ভ্যানস্ট্যান্ড এলাকায় এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও তার পরিবারের ওপর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে সংঘটিত এই হামলায় ব্যবসায়ী রিপন মন্ডল (৩৫) গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। 
হামলার সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের মারধরের শিকার হয়েছেন তার মা চারুলতা মন্ডল, ভাই নিপুণ মন্ডল এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী সৌমেন মজুমদার।
​গুরুতর আহত অবস্থায় রিপন মন্ডলকে প্রথমে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে উন্নত ও জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সাধারণ হাসপাতালে (খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
​ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালবেলা ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সুসংগঠিত সন্ত্রাসী দল দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি নিয়ে রিপন মন্ডলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা রিপন মন্ডলকে লক্ষ্য করে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ অর্থ ও বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
​ব্যবসায়ীর ওপর এমন নৃশংস হামলার খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্রনাথ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাপস পাল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 
তারা তাৎক্ষণিকভাবে খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু'কে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই ব্যবসায়ীকে দেখতে যাওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।
​কেন্দ্রীয় নির্দেশনার ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদের  সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু-র নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিপন মন্ডলকে দেখতে যান। 
এ সময় প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন— কেন্দ্রীয় হরিজন ঐক্য পরিষদের প্রচার সম্পাদক  ও খুলনা মহানগর যুব ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজল দাস, খুলনা মহানগর যুব ঐক্য পরিষদসহ-সভাপতি সুশীল দাসসহ স্থানীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। 
নেতৃবৃন্দ আহত রিপন মন্ডলের শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন, তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে পূর্ণ আশ্বাস প্রদান করেন।
​এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে চিতলমারী থানা পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে।
​এ বিষয়ে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনা শোনার পর পুলিশ তৎপর রয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​দিনের আলোতে ব্যবসায়ী পরিবারের ওপর এমন সুসংগঠিত হামলার ঘটনায় সমগ্র চিতলমারী এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী সমাজ এই কাপুরুষোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
June 04, 2026

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত স্বামী জগন্নাথানন্দ সরস্বতী ও শিষ্য

শ্রী গুরু সংঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রমের সভাপতি ও একমাত্র সন্ন্যাসী স্বামী জগন্নাথানন্দ সরস্বতী মহারাজ এবং তার শিষ্য প্রান্ত সাহা (প্রশান্ত দাস) ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। বরিশাল থেকে কাউখালী আশ্রমে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে সংঘ সূত্র জানিয়েছে।
দুর্ঘটনার পরপরই আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, গুরুতর আহত সেবাইত প্রান্ত সাহাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল থেকে ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। স্বামী জগন্নাথানন্দ সরস্বতী মহারাজের শারীরিক অবস্থার বিষয়েও আশ্রম কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশ-বিদেশে থাকা ভক্ত, অনুসারী ও গুরু-ভাই-বোনদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় আশ্রমের পক্ষ থেকে সকলের কাছে মহারাজ ও আহত সেবাইতের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংঘের নেতৃবৃন্দ বলেন, পরম করুণাময় শ্রীশ্রী গুরুদেবের কৃপায় তারা দ্রুত এই সংকট কাটিয়ে সুস্থ হয়ে আবার ধর্মীয় ও মানবকল্যাণমূলক কাজে ফিরতে পারবেন বলে তারা আশাবাদী। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আশ্রম ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মহারাজ ও প্রান্ত সাহার আরোগ্য কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হচ্ছে।
শ্রী গুরু সংঘ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রার্থনা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
June 04, 2026

বাগেরহাটে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ব্যবসায়ী

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বোয়ালিয়া ভ্যানস্ট্যান্ড এলাকায় এক ব্যবসায়ীর ওপর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে দুর্বৃত্তদের হামলায় ব্যবসায়ী রিপন মন্ডল (৩৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার মা চারুলতা মন্ডল, ভাই নিপুণ মন্ডল ও কর্মচারী সৌমেন মজুমদারও আহত হন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, সকালে ১৫ থেকে ২০ জনের একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র ও হাতুড়ি নিয়ে রিপনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা রিপনকে হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ টাকা ও কয়েকটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
গুরুতর আহত রিপনকে প্রথমে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে চিতলমারী থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা এই ঘটনায় হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
June 04, 2026

লক্ষ্মীপুরে 'ব্যাড টাচ' মামলায় শিক্ষক কারাগারে, প্রাইভেটের বিরোধে ফাঁসানোর অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরে এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক রিপন মজুমদারকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করছেন অভিভাবক, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২ জুন) দত্তপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মায়া বেগম, অভিভাবক ফখরুদ্দিন শাহীন এবং একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষক রিপন মজুমদার বিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ান, যা অন্য কিছু শিক্ষক পছন্দ করতেন না।
প্রত্যক্ষদর্শী অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জারিন সুলতানা সোহা বলেন, "ঘটনার দিন স্যার গণিতের একটি সূত্র ভুল করায় কয়েকজনকে বেত মেরেছিলেন। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থীকে খারাপভাবে স্পর্শ বা আপত্তিকর কিছু করতে দেখিনি। এটা স্যারকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র হতে পারে।"
বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ফারিহা আক্তার রোমানা জানান, তিন বছর ধরে স্যার তাকে বাড়িতে পড়িয়েছেন, অভিভাবকের মতো দেখভাল করেছেন। এমন অভিযোগে তারা বিস্মিত। অভিভাবক ফখরুদ্দিন শাহীনের মতে, রিপন মজুমদার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সজ্জন শিক্ষক, তার দুই মেয়েও তার কাছে পড়েছে এবং কোনো দিন খারাপ আচরণ পায়নি।
পরিচালনা কমিটির সদস্য মায়া বেগম সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, "প্রাইভেট পড়ানোর জেরে বিরোধের সুযোগ নিয়েই ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। অভিযোগকারী ছাত্রীর মাও নাকি বলেছেন, তাকে চাপ দিয়ে অভিযোগ করানো হয়েছে।"
তবে মামলার বাদী এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি, শুধু বলেছেন প্রধান শিক্ষক ভালো জানেন। প্রধান শিক্ষক আব্দুল সোবহান বিরোধ বা ষড়যন্ত্রের কথা অস্বীকার করলেও পরিকল্পিত কিনা— এমন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি।
দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হওয়ার পর শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলমান, শেষ হলেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ মে বিদ্যালয়ের নতুন ভবনে প্রাইভেট ক্লাসে পড়া না পারায় কয়েকজনকে বেত্রাঘাত করেন রিপন মজুমদার। পরে এক শিক্ষার্থীকে 'ব্যাড টাচ' করার অভিযোগ এনে ২৪ মে তার মা চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা করলে ওই দিনই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সব পক্ষই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন।

Wednesday, June 3, 2026

June 03, 2026

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা অব্যাহত, একমাসে নথিভুক্ত ৮৬টি নির্যাত্নের ঘটনা

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে "সংখ্যালঘু নিপীড়ন সম্পর্কিত তথ্যপত্র" এর মে ২০২৬ সংখ্যায়। সানাতনী রিসার্চ অ্যান্ড আইটি লিমিটেড এবং সানাতনী ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে মে মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের মোট ৮৬টি ঘটনার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা, হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত আক্রমণের শিকার হয়েছেন। ঘটনাগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকায় এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং একটি বিস্তৃত ও চলমান সংকটের প্রতিফলন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তথ্যপত্রে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নির্যাতনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল চুরি ও লুটপাটের ঘটনা, যার সংখ্যা ২০। এছাড়া জমি দখলের ১৪টি, শারীরিক নির্যাতনের ১২টি এবং সন্ত্রাসী হামলার ১০টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
এছাড়াও খুনের ৮টি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বা ধর্ম অবমাননার ৫টি, মন্দির ভাঙচুরের ৫টি, ধর্ষণের ৩টি, অপহরণের ৩টি, চাঁদাবাজির ২টি এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ১টি ঘটনার তথ্য প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয় ও মন্দিরে হামলা, ধর্মীয় প্রতীক ভাঙচুর এবং পূজা-পার্বণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের বাধা সৃষ্টি এখনো উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে। একই সঙ্গে ভূমি ও সম্পত্তি দখলের ঘটনা অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
গবেষণায় উঠে এসেছে যে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল, দুর্বল আইন প্রয়োগ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি, হুমকি প্রদান এবং এলাকা ছাড়ার জন্য বাধ্য করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব ঘটনার ফলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক পরিবার নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে এবং কেউ কেউ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে স্থানান্তরের বিষয়টিও বিবেচনা করছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সংখ্যালঘু অধিকার সুরক্ষায় প্রতিবেদনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা, অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা, সংখ্যালঘুদের সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার করা এবং মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।
প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার, নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক মহলের সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ জরুরি। সংখ্যালঘুদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও বৈষম্যহীন জীবন নিশ্চিত করতে এখনই দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
June 03, 2026

নারায়ণগঞ্জের বারদী আশ্রমে শুরু হলো বাবা লোকনাথের ১৩৬তম তিরোধান উৎসব

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক বারদী আশ্রমে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভক্তিময় আবহে শুরু হয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাধক শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তিরোধান উৎসব। বুধবার (৩ জুন) সকালে পূজা-অর্চনা, মঙ্গল প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন হয়।
এ উপলক্ষে ভোর থেকেই দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত ও দর্শনার্থী বারদী আশ্রমে জড়ো হতে থাকেন। দিনভর আশ্রম প্রাঙ্গণে চলছে পূজা, নামসংকীর্তন, গীতা পাঠ, ধর্মীয় আলোচনা ও প্রসাদ বিতরণ।
আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানায়, কয়েকদিনব্যাপী এই উৎসবে বিশেষ পূজা, হরিনাম সংকীর্তন, ধর্মসভা ও মহাপ্রসাদ বিতরণসহ নানা ধর্মীয় আয়োজন থাকছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও ভারতসহ নানা দেশ থেকে ভক্তরা এসেছেন বাবার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে।
ভক্তরা বলছেন, ত্যাগ, সত্য ও মানবপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিলেন বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী। যুগ যুগ ধরে তার বাণী ও আদর্শ লাখো মানুষের জীবনে শান্তি ও প্রেরণার উৎস। তাই প্রতি বছর তিরোধান উৎসবে তারা এখানে ছুটে আসেন।
উৎসব উপলক্ষে আশ্রম চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্বে রয়েছে, স্বেচ্ছাসেবকরাও ভক্তদের সেবায় কাজ করছেন।
প্রসঙ্গত, বাংলা ১২৯৭ সালের ১৯ জ্যৈষ্ঠ বারদী আশ্রমে মহাসমাধি লাভ করেন শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী। তার তিরোধান দিবসকে ঘিরে প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসে এখানে লাখো ভক্তের মহাসমাগম হয়, যা সনাতন সম্প্রদায়ের কাছে এক গভীর শ্রদ্ধা ও আধ্যাত্মিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
June 03, 2026

রাঙ্গুনিয়ায় ২১ বছর পর দখলমুক্ত হলো শতবর্ষী মহাশ্মশান

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় দীর্ঘ ২১ বছর ধরে দখলে থাকা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শতবর্ষী একমাত্র মহাশ্মশানটি অবশেষে উদ্ধার করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবব্রত দাশের নেতৃত্বে শ্মশানটি পরিমাপ করে স্থানীয় সম্প্রদায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে স্বস্তি ও আনন্দের বন্যা বইছে মালিরহাট দাশ পাড়াবাসীর মধ্যে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উত্তর পোমরা মালিরহাট বাজার সংলগ্ন ১৪ শতক জায়গার ওপর এই মহাশ্মশানটি প্রায় ৬০টি পরিবারের একমাত্র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার স্থান। আরএস খতিয়ানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নামে থাকলেও বিএস জরিপে ভুলবশত এটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত হয়। এই সুযোগে ২০০৫ সালে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি জায়গাটি দখল করে পাঁচটি দোকান নির্মাণ করে এবং মাটি খনন করে বিভিন্ন স্থাপনা তোলে।
দুই দশক ধরে নিজেদের শ্মশানে অধিকার না পেয়ে স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায় বাধ্য হয়ে নিজস্ব বা পারিবারিক জায়গায় মৃতদেহ দাহ করতে বাধ্য হচ্ছিলেন। একাধিকবার উদ্ধারের চেষ্টা ও ইউনিয়ন পরিষদের বৈঠক হলেও দখলদার পক্ষ সরকারি লিজের ভুয়া দাবি করে তাতে যোগ না দেওয়ায় সমাধান হচ্ছিল না। অবশেষে শ্মশান রক্ষা কমিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করলে প্রশাসন উদ্যোগী হয়।
আজ দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবব্রত দাশের নেতৃত্বে ভূমি অফিস ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি পরিমাপ করেন। পরিমাপ শেষে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ১৪ শতক জায়গা উদ্ধার করে সনাতন সম্প্রদায়ের নেতাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। শ্মশানে যাতায়াতের জন্য ১০ ফুটের একটি রাস্তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
সহকারী কমিশনার দেবব্রত দাশ বলেন, "খতিয়ানে জায়গাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশান হিসেবেই রেকর্ডভুক্ত। পরিমাপ শেষে সন্তোষজনক ফল পাওয়ায় তা সম্প্রদায়কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। যিনি দখলে ছিলেন, তিনিও শান্তিপূর্ণভাবে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।" তিনি জানান, খালি অংশটুকু এখনই ব্যবহার করতে পারবেন ভক্তরা এবং সাত দিনের মধ্যে অভ্যন্তরীণ আলোচনার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। বন বিভাগের গাছ সরকারি নিয়মে নিলাম হবে।
এই অন্যায়ের অবসানে শ্মশান কমিটি ও এলাকাবাসী প্রশাসনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। উদ্ধারকাজের সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। 
June 03, 2026

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ধর্মীয় স্থাপনায় মল লেপনের অভিযোগ

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার পূর্ববুল্লা গ্রামে একটি স্থাপনায় মল লেপনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে গ্রামবাসী ওই স্থাপনায় মল লেপা অবস্থায় দেখতে পান। মুহূর্তেই ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষজন সেখানে জড়ো হন। স্থানীয়রা এই ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে পূর্বপরিকল্পিতভাবেই এই কাজ করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কারা এর সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গ্রামের বাসিন্দারা বলছেন, "এমন নোংরা কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।"
এ বিষয়ে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না পাওয়া গেলেও স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই সবাই অধীর আগ্রহে প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন।

Tuesday, June 2, 2026

June 02, 2026

ফরিদপুরে ১২ বছরের কিশোরী নিখোঁজ

ফরিদপুর সদর উপজেলার পূর্ব আলিয়াবাদ এলাকা থেকে নিরুপমা শিকদার (১২) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পুলিশ ও জিডি সূত্র জানায়, গত ১ জুন সকাল ৮টার দিকে নিরুপমা কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর সে আর ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
নিরুপমা ওই এলাকার নির্মল শিকদার ও স্মৃতি শিকদার দম্পতির একমাত্র কন্যা। পরিবারের দাবি, সে মোবাইল ফোন ব্যবহার করত না, ফলে যোগাযোগেরও কোনো উপায় নেই।
ঘটনায় নিরুপমার পরিবার ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় জিডি করেছে, যার নম্বর ৭৪, তারিখ ১ জুন ২০২৬।
নিরুপমার কোনো সন্ধান পেলে তার মা স্মৃতি শিকদারের মোবাইল নম্বর ০১৮২৯-৭২২২৭৪-এ যোগাযোগের জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে।
"
"