কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Wednesday, April 29, 2026

April 29, 2026

পশ্চিমবঙ্গে শেষ দফার ভোট শুরু, টানটান উত্তেজনায় ১৪২ আসনে লড়াই 🗳️

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-এ টানটান উত্তেজনার মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোট চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে।
এ দফায় রাজ্যের সাতটি জেলার মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তৃণমূল কংগ্রেস, ভারতীয় জনতা পার্টি, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এবং ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টসহ অন্যান্য দল। তবে বেশিরভাগ আসনেই মূল লড়াই হচ্ছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে।
এই দফায় মোট ১,৪৪৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন মমতা ব্যানার্জী, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, শশী পাঁজা প্রমুখ। অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, স্বপন দাশগুপ্ত, রূপা গাঙ্গুলীসহ আরও অনেকে।
নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রায় ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, যার বড় অংশ দায়িত্ব পালন করছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।
এ দফায় মোট ভোটার প্রায় ৩ কোটি ২১ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৬৪ লাখ, নারী ভোটার ১ কোটি ৫৭ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭৯২ জন। ভোটগ্রহণের জন্য ৪১ হাজারের বেশি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আগামী ৪ মে ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি-র ফলাফলও ঘোষণা করা হবে।


 

April 29, 2026

আফগানিস্তানের প্রাচীন আধ্যায়ে সনাতন ধর্মের উজ্জল ছাপ

আফগান ভূমি—যে ভূমি আজ বহু ঝঞ্ঝা-ঝাপটার ইতিহাস বহন করছে—একসময় ছিল ধর্ম, সাধনা ও সংস্কৃতির এক পবিত্র মিলনক্ষেত্র। সেই প্রাচীন ঐতিহ্যের এক মূক সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে Tapa Sardar-এর নিদর্শনসমূহ, যেখানে এক বিস্ময়কর আবিষ্কার আমাদের সনাতন ধারার গৌরবকে নতুনভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।
Ghazni-র নিকটবর্তী এই প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার থেকে উদ্ধার হওয়া এক ভাস্কর্যের অংশ—দেবী Durga-র শিরমণ্ডল—শুধু একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নয়, এটি শক্তির আরাধনার এক অনন্ত প্রতীক। মহিষাসুরমর্দিনী রূপে মা দুর্গা, যিনি অধর্ম ও অশুভ শক্তির বিনাশিনী, তাঁর এই রূপ এখানে এক অপূর্ব আধ্যাত্মিক আবহ সৃষ্টি করে।
১৯৬৪ সালে ইতালীয় প্রত্নতাত্ত্বিক Giuseppe Tucci-এর নেতৃত্বে পরিচালিত খননকার্যে এই পবিত্র নিদর্শনের সন্ধান মেলে। চুন-সুরকির মিশ্রণে নির্মিত এই ভাস্কর্য, সময়ের নিরিখে চতুর্থ বা পঞ্চম শতাব্দীর সৃষ্টি বলে অনুমিত—যে সময় ভারতীয় উপমহাদেশ ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ধর্মীয় সাধনা ও শিল্পকলার এক স্বর্ণযুগ প্রবাহিত হচ্ছিল।
মূর্তিটির কপালে খচিত ত্রিনয়ন যেন প্রকাশ করে দেবী শক্তির সর্বজ্ঞ দৃষ্টি—যা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে একসূত্রে ধারণ করে। এর শৈলীতে Gandhara art-এর প্রভাব স্পষ্ট, যেখানে গ্রিক শিল্পরীতি ও ভারতীয় ভাবধারার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ দেখা যায়। এই শিল্পধারা শুধু সৌন্দর্যের নয়, বরং এক গভীর সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক আদান-প্রদানের প্রতীক।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো—একটি বৌদ্ধ বিহারের অন্তঃস্থলে এই দেবী মূর্তির উপস্থিতি। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, সেই প্রাচীন কালে ধর্ম কোনো বিভেদের প্রাচীর ছিল না; বরং ছিল সহাবস্থানের এক সুরেলা সেতুবন্ধন। বৌদ্ধ ও সনাতন—দুটি ধারাই একই ভূমিতে, একই আকাশের নিচে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছিল।
বর্তমানে এই অমূল্য নিদর্শনটি National Museum of Afghanistan-এ সংরক্ষিত রয়েছে। বহু প্রতিকূলতার মাঝেও এটি আজও বহন করছে সনাতন ধর্মের শাশ্বত শক্তি ও গৌরবের বার্তা।
এই ভাস্কর্য যেন নীরবে বলে যায়—ধর্ম কেবল আচার নয়, এটি চিরন্তন চেতনা; আর সেই চেতনা কখনো বিনষ্ট হয় না। যুগে যুগে, দেশে দেশে, নানা রূপে তা প্রকাশিত হয়—ঠিক যেমন তপা সর্দারের এই পবিত্র আবিষ্কার আমাদের সামনে আবারও সেই শাশ্বত সত্যকে উদ্ভাসিত করে।
April 29, 2026

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, শুরু ইউরেনিয়াম লোডিং ⚡

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা-এর নির্দেশনা অনুযায়ী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এ ‘বহুস্তরীয় সুরক্ষা’ বা ডিফেন্স-ইন-ডেপথ পদ্ধতির মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে আধুনিক অ্যাকটিভ সেফটি সিস্টেম রয়েছে—যার মধ্যে স্বয়ংক্রিয় শাটডাউন ও জরুরি কোর কুলিং ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি রয়েছে প্যাসিভ সেফটি সিস্টেম, যা বিদ্যুৎ বা মানব হস্তক্ষেপ ছাড়াই চুল্লিকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম। এছাড়া ডাবল কনটেইনমেন্ট, কোর ক্যাচার এবং হাইড্রোজেন রিকম্বাইনারসহ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা পুরোনো কেন্দ্রগুলোর তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ।
মঙ্গলবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে—যা প্রকল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ-এর কারণে কিছু বিলম্ব হলেও সরকারের প্রচেষ্টায় কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। আইএইএর কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৬ এপ্রিল জ্বালানি প্রবেশের লাইসেন্স দেওয়া হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে আগামী জুলাই বা আগস্টের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করা সম্ভব হবে। আর এক বছরের মধ্যে প্রথম ইউনিটটি পূর্ণ সক্ষমতায় গিয়ে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল ধাপে প্রবেশ করেছে। এটিই ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’—যেখানে চেইন রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর প্রকল্প হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে চলাই এর সফলতা নিশ্চিত করবে।
বর্তমানে এই প্রকল্পে কয়েক হাজার বিদেশি ও দেশীয় কর্মী কাজ করছেন। ধাপে ধাপে দক্ষ বাংলাদেশি জনবল তৈরি করে ভবিষ্যতে পুরো পরিচালনার দায়িত্ব তাদের হাতেই তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

April 29, 2026

ভৈরবে ট্রেনের নিচে পড়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল বাবা-শিশু 🚆

চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয় এক পরিবার। এক বছর বয়সী একটি শিশু প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় পড়ে গেলে তাকে বাঁচাতে বাবাও ঝাঁপ দেন। অবিশ্বাস্যভাবে তাদের ওপর দিয়ে ট্রেনের আটটি বগি চলে গেলেও অক্ষত অবস্থায় বেঁচে যান পিতা-পুত্র।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন-এ ঢাকা অভিমুখী তিতাস কমিউটার ট্রেন-এ এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায়। যাত্রাবিরতির সময় ওই দম্পতি সন্তানসহ নামতে পারেননি। ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার পর তাড়াহুড়ো করে নামার চেষ্টা করলে বাবার হাত ফসকে শিশুটি নিচে পড়ে যায়।
সন্তানকে বাঁচাতে সঙ্গে সঙ্গে বাবাও নিচে লাফ দেন এবং শিশুকে বুকে জড়িয়ে প্ল্যাটফর্মের দেয়ালের পাশে সেঁটে শুয়ে থাকেন। এরই মধ্যে তাদের ওপর দিয়ে ট্রেনের একের পর এক বগি চলে যায়। তবুও তারা অলৌকিকভাবে অক্ষত থাকেন। পরে স্থানীয়রা শিশুটির মাকে নিরাপদে নামিয়ে আনেন।
রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলন্ত ট্রেনে ওঠানামা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
একই দিনে ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ এলাকায় আরেকটি দুর্ঘটনায় এগারোসিন্ধুর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে পড়ে শাহিন মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের একটি হাত ও একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
👉 সংশ্লিষ্টরা যাত্রীদের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন, বিশেষ করে চলন্ত ট্রেনে ওঠানামা থেকে বিরত থাকার জন্য।

 

April 29, 2026

খাগড়াছড়িতে ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল, ৮০ টাকার জায়গায় এলো ১ লাখ টাকা! ⚡

খাগড়াছড়িতে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একের পর এক ‘ভুতুড়ে বিল’-এর অভিযোগে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও ও বিক্ষোভও করেছেন। তবুও থামছে না এই হয়রানি।
এবার জেলার রামগড় উপজেলা-এ এক দরিদ্র কৃষকের ঘরে এসেছে অবিশ্বাস্য এক বিদ্যুৎ বিল—এক লাখ ৪ হাজার ১১১ টাকা। অথচ সাধারণত তার মাসিক বিল থাকে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে।
ভুক্তভোগী কৃষক হারুনুর রশীদ পাতাছড়া ইউনিয়ন-এর মাহবুব নগর গ্রামের বাসিন্দা। তার ছোট টিনের ঘরে রয়েছে মাত্র তিনটি বাতি, দুটি ফ্যান এবং একটি পানির মোটর। তিনি ও তার স্ত্রী—এই দুজনই সেখানে বসবাস করেন এবং নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছেন।
জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে তার বিদ্যুৎ বিল ছিল যথাক্রমে ৮৮ ও ৯২ টাকা। কিন্তু মার্চ মাসের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং দোকানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার বিল এসেছে এক লাখ টাকারও বেশি। এতে তিনি হতবাক হয়ে পড়েন।
পরে জানা যায়, বিল তৈরির সময় ইউনিট হিসাবের বড় ধরনের ভুল হয়েছে। ৭০ ইউনিটের জায়গায় ৭ হাজার ইউনিট ধরা হওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিলটি সংশোধনের আশ্বাস দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রামগড়ে এমন ভুতুড়ে বিল নতুন কিছু নয়—অনেক গ্রাহকই একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তারা দ্রুত স্থায়ী সমাধান ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


 

Tuesday, April 28, 2026

April 28, 2026

দিনাজপুরে বিষ্ণু মন্দিরে চুরি, স্বর্ণ-রূপাসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট 🛕

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা-তে একটি বিষ্ণু মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বাসুদেবপুর (বেলডাঙ্গী) এলাকায় অবস্থিত বাসুদেবপুর বিষ্ণু মন্দির-এ এ ঘটনা ঘটে।
মন্দিরের পুরোহিত ডকুরু দেব শর্ম্মা জানান, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মন্দিরে প্রবেশ করে প্রায় ১ ভরি স্বর্ণ, ১০–১৫ ভরি রূপা, একটি কাঁসি, একটি ঘড়ি, একটি কাসার বাটি এবং অন্যান্য মূল্যবান পূজার সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর এ বিষয়ে বোচাগঞ্জ থানা-য় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

April 28, 2026

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৫, আহত ৭৯

জাকার্তা-র কাছে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আরও অন্তত ৭৯ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর এখনো কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোমবার গভীর রাতে জাকার্তা সংলগ্ন বেকাসি সিটি রেল স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাতারভিত্তিক আল জাজিরা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জাকার্তা-চিকারং কমিউটার ট্রেনের সঙ্গে ‘আর্গো ব্রোমো আংগ্রেক’ নামের একটি দূরপাল্লার ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এই ট্রেনটি মূলত জাকার্তা ও সুরাবায়া রুটে চলাচল করে।
রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থা কেএআই-এর মুখপাত্র ফ্রানোটো উইবোবো জানান, একটি লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় একটি ট্যাক্সি কমিউটার ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রেনটি লাইনের ওপর থেমে যায়। ঠিক তখনই পেছন দিক থেকে আসা দ্রুতগামী ট্রেনটি সজোরে ধাক্কা দিলে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল। উদ্ধারকারী দলের প্রধান মোহাম্মদ শাফি জানান, বগিগুলো দুমড়েমুচড়ে যাওয়ায় ভেতরে প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। ধাতব কাঠামো কেটে আটকে পড়াদের বের করার চেষ্টা চলছে।
এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হলেও ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আরও কয়েকজন জীবিত আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

April 28, 2026

চাঁদপুরে রাসেল ভাইপারের আতঙ্ক, সাপ ধরতে গিয়ে যুবক দংশিত 🐍

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা-এ আবারও ভয়ঙ্কর বিষধর রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মেঘনা নদীর পাড় থেকে একটি সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে এক যুবক সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন।
সোমবার সকালে এখলাসপুর ইউনিয়নের আবাসন এলাকার মেঘনা নদী তীরবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. সোহেল (৩১) জানান, তিনি নদীর পাড়ে একটি জালে আটকে থাকা বড় আকৃতির সাপ দেখতে পান। সেটিকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলে হঠাৎ সাপটি তার হাতে কামড় দেয়।
ঘটনার পর তিনি সাপটিকে ধরে পলিথিনে ভরে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরে প্লাস্টিকের পাত্রে রেখে দ্রুত চাঁদপুর সদর হাসপাতাল-এ গিয়ে চিকিৎসা নেন। সেখানে অ্যান্টিভেনম নেওয়ার পর বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক বছর ধরে মেঘনা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল—বিশেষ করে বোরচর, চর উমেদ ও এখলাসপুর এলাকায় বিষধর সাপের উপদ্রব বেড়েছে। তারা অভিযোগ করেন, অনেক সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম না থাকায় রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
এদিকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সাপে কাটার পর দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব বিপজ্জনক হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন বলছে, বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় সাপের উপদ্রব আরও বাড়তে পারে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুদ রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

 

April 28, 2026

সেপ্টেম্বর থেকে যেসব পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ 📱

আপনি যদি ১০ থেকে ১১ বছরের পুরনো কোনো অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। কারণ আগামী সেপ্টেম্বর থেকে অনেক পুরনো ডিভাইসে আর WhatsApp ব্যবহার করা যাবে না।
Meta জানিয়েছে, পুরনো অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোনগুলোর জন্য তারা ধীরে ধীরে সাপোর্ট বন্ধ করছে, যাতে নতুন নিরাপত্তা ও আধুনিক ফিচারগুলো আরও কার্যকরভাবে চালু করা যায়।
কোন ফোনগুলোতে বন্ধ হবে?
যেসব স্মার্টফোন এখনো Android 5.0 বা Android 5.1 ভার্সনে চলছে, সেগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
জানা গেছে, ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে Android 6-এর আগের সব ডিভাইসে WhatsApp আর কাজ করবে না।
অর্থাৎ এরপর থেকে অ্যাপটি শুধু Android 6.0 বা তার পরের সংস্করণে সচল থাকবে।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
হোয়াটসঅ্যাপ এখন নতুন AI ফিচার, উন্নত প্রাইভেসি এবং শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করছে। এসব ফিচার চালানোর জন্য আধুনিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার দরকার। পুরনো ডিভাইসে সেগুলো ঠিকভাবে কাজ না করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্যবহারকারীদের করণীয়
যারা এখনো পুরনো ফোন ব্যবহার করছেন, তাদের উচিত—
✅ দ্রুত নতুন ডিভাইসে আপগ্রেড করা
✅ ৮ সেপ্টেম্বরের আগে চ্যাট ব্যাকআপ নেওয়া
✅ ছবি, ভিডিও ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা অন্য ফোনে স্থানান্তর করা
কারণ নির্ধারিত সময়ের পর পুরনো ফোনে থাকা WhatsApp ডেটা হারিয়ে যেতে পারে।
👉 নিজের ফোনের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন এখনই চেক করে নেওয়া ভালো, যাতে হঠাৎ করে অ্যাপ বন্ধ হয়ে সমস্যায় না পড়েন।

 

April 28, 2026

ঘুম ভাঙার পরই ফোন দেখছেন? জানুন ৫টি বড় ক্ষতি 📱

আজকের প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে ঘুম থেকে উঠেই ফোন হাতে নেওয়া অনেকের জন্য দৈনন্দিন অভ্যাস হয়ে গেছে। নোটিফিকেশন দেখা, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করা বা খবর আপডেট চেক করেই দিন শুরু করেন অনেকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এই অবস্থাকে নোমোফোবিয়া বলা হয়—অর্থাৎ মোবাইল ফোন ছাড়া থাকার অস্বস্তি বা ভয়। ঘুম থেকে ওঠার পরপরই ফোন ব্যবহারের কিছু ক্ষতিকর দিক নিচে তুলে ধরা হলো—
১. ঘুমের চক্রে ব্যাঘাত 😴
স্মার্টফোনের নীল আলো শরীরে মেলাটোনিন উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যা ঘুম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ সময়চক্র বা সার্কাডিয়ান রিদম বিঘ্নিত হয় এবং সারাদিন ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
২. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ে 😟
সকালে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে ইমেইল বা সোশ্যাল মিডিয়ার চাপ মাথায় নেওয়া শরীরে স্ট্রেস হরমোন বাড়ায়। এতে অস্থিরতা, মনোযোগের ঘাটতি এমনকি শারীরিক অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে।
৩. মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা কমে যায় 📉
দিনের শুরুতেই ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়লে ব্যায়াম, ধ্যান বা স্বাস্থ্যকর নাস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসগুলো বাদ পড়ে যায়। এতে দিনের কাজেও প্রভাব পড়ে।
৪. স্বাস্থ্যকর রুটিন নষ্ট হয়
সকালের সময়টা নিজের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ফোন ব্যবহারের কারণে এই সময়টুকু নষ্ট হলে মানসিক সতেজতা কমে যায় এবং দিনটা এলোমেলোভাবে শুরু হয়।
৫. তুলনা ও হীনম্মন্যতা বাড়ায় 😔
সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের সাজানো জীবন দেখে নিজের জীবনের সঙ্গে তুলনা করলে আত্মসম্মান কমে যেতে পারে এবং মন খারাপের প্রবণতা বাড়ে।
👉 তাই ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ২০–৩০ মিনিট ফোন এড়িয়ে চলা ভালো। এই সময়টা নিজের শরীর, মন এবং দিনের পরিকল্পনার জন্য ব্যবহার করলে সারাদিন অনেক বেশি ফোকাসড ও এনার্জেটিক থাকা সম্ভব।

 

"
"