কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Wednesday, April 1, 2026

April 01, 2026

ঠাকুরগাঁওয়ে সাবেক নারী ক্রিকেটারের বসতভিটা ও কালীমন্দির দখলের অভিযোগ

মেলবোর্ন, ৩১ মার্চ-  ঠাকুরগাঁওয়ে সাবেক জাতীয় নারী ক্রিকেটার একা মল্লিক-এর বসতভিটা ও ব্যক্তিগত কালীমন্দির জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে একা মল্লিক জানান, ২০১৮ সালে তাঁর ভাই অনিক মল্লিক গোবিন্দনগর মৌজায় ২ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি কিনে সেখানে বসতবাড়ি ও একটি কালীমন্দির নির্মাণ করেন। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তাঁর বাবা শংকর মল্লিক সেখানে পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পরিবারটি বর্তমানে শহরের আশ্রমপাড়া এলাকায় বসবাস করলেও নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত এবং পূজা-অর্চনা চালিয়ে আসছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ২৫ নভেম্বর তাঁদের অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিবেশী দিপালী খালকো দিপা ও গোপাল খালকোসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় শংকর মল্লিক ও প্রীতি মল্লিককে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
একা মল্লিক আরও জানান, পরদিন হাসপাতাল থেকে ফিরে তাঁরা দেখতে পান, মন্দিরের তালা ভেঙে আসবাবপত্র লুট করা হয়েছে এবং সেখানে নতুন তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানা-এ মামলা করা হলেও অভিযুক্তরা এলাকায় অবস্থান করছে এবং উল্টো তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১০ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর ২৮ নভেম্বর প্রশাসনের এসএ শাখা তদন্ত প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনে জমির মালিকানা একা মল্লিকদের পক্ষেই সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবুও প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় জমিটি দখলে রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
একা মল্লিক বলেন, দেশের হয়ে মাঠে লড়াই করার পর এখন নিজের ঘর ও উপাসনালয় রক্ষার জন্য লড়তে হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত জবরদখলকারীদের হাত থেকে তাঁদের সম্পত্তি ও মন্দির উদ্ধারের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।


 

April 01, 2026

হাম হলে কী খেতে হবে?

দেশে হঠাৎই বেড়েছে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রতিদিনই ভর্তি করা হচ্ছে হাম আক্রান্তদের। অনেক রোগীর মৃত্যু হওয়ায় রোগটি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে।

হাম কী?
হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগ দ্রুত আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্যজনে ছড়ায়। অত্যন্ত সংক্রামক এ রোগটি জার্মান মিজলস, মাম্পস, রুবেলা নামেও পরিচিত।
 
হাম আক্রান্তের প্রক্রিয়া
অ্যাপোলো হসপিটালের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, শরীরে হামের ভাইরাস প্রবেশের পর তা  দ্রুত গলা, ফুসফুস, লিম্ফ নোডের মতো অঞ্চলে বৃদ্ধি পায় এবং পরে চোখ, মূত্রনালী, রক্তনালী এমনকি মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত ভাইরাস সংস্পর্শে আসার ৯ থেকে ১১ দিন পরে শরীরে হামের লক্ষণগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করে। 

হামের লক্ষণ
হাম আক্রান্ত হলে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত), সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং এরপর সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে। 

হাম হলে করণীয়
হাম হলে আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ির বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। বাড়িতে বিশ্রামে থাকা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া জরুরী। এ সময় রোগীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। রোগীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর পর ভেজা তোয়ালে/গামছা বা নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিতে হবে। বেশি জ্বর, বমি ও শরীরে চুলকানি ও ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ থেকে হবে। 

হাম হলে কী খেতে হবে
হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক সৈয়দ আফজালুল করিম বলছেন, হাম রোগীর দ্রুত আরোগ্য পেতে ডায়েট লিস্ট বা খাবার তালিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় রোগীকে স্বাভাবিক সব খাবার দিতে হবে। পুষ্টিকর ও সুষম খাবারের পাশাপাশি রোগীকে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। ডায়েটে কিছুক্ষণ পর পর তরল খাবারের ওপর প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় কমলা, তরমুজ, ডাবের মতো ফলগুলো রোগীকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
 
হাম আক্রান্ত রোগীর সঠিক চিকিৎসা ও পরিচর্যা না হলে এ রোগ থেকে নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন এমনকি মস্তিষ্কে ম্যালিডাইসিস রোগ হতে পারে। তাই এ রোগে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা নেয়া খুব জরুরি। ভবিষ্যতে এ রোগ থেকে বাঁচতে ভ্যাকসিন বা টিকার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।


 

April 01, 2026

খুলনায় হামের প্রাদুর্ভাব: ১০ জেলায় ৭৯ শিশু হাসপাতালে

খুলনা বিভাগে হঠাৎ করেই হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। গত কয়েক সপ্তাহে শিশুদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১০ জেলায় অন্তত ৭৯ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে অন্তত ২৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন করে সতর্ক সংকেত দিচ্ছে। 
সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে কুষ্টিয়া জেলায়। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতাল মিলিয়ে ৬৩ জন শিশু বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে, যাদের বড় অংশই হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি। এছাড়া যশোরে ৬ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন এবং ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা ও মাগুরায় ২ জন করে শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যান্য জেলাতেও হাম ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 
চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই অল্পবয়সি শিশু। বিশেষ করে এক বছরের কম বয়সি এবং ৬ থেকে ৯ মাস বয়সি শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। যেসব শিশু এখনো পূর্ণ টিকাদান পায়নি বা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারাই বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। 
আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং পরে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতাও তৈরি হচ্ছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি তিন শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাদের বয়স ৫ থেকে ৮ মাসের মধ্যে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হওয়ায় তাদের জটিলতা বেড়েছে। 
শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা রুখশানা পারভীন বলেন, ‘হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ এবং নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা না থাকায় সাপোর্টিভ চিকিৎসার ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।’ 
এদিকে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও হাসপাতালগুলোতে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। আইসোলেশন ইউনিট চালু থাকলেও শয্যা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা সীমিত। পুরনো অবকাঠামোর কারণে খুলনা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালেও চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। জটিল রোগীদের জন্য এনআইসিইউ সুবিধা সীমিত থাকাও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভাগের সব জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড চালুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে সংক্রমণ বাড়ার প্রবণতা তাদেরও ভাবিয়ে তুলেছে। 
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ করেই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো খুলনা বিভাগেরও কোনো কোনো জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এটি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। বিশেষ করে সবগুলো জেলা হাসপাতালে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অধিকাংশ হাসপাতালে সে নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া আমাদের চিকিৎসক, নার্সসহ চিকিৎসার সাথে জড়িত অন্যদেরও বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 
তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে এনআইসিইউ সংকট। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য স্থানে এখনও এনআইসিইউ নেই। আমরা চেষ্টা করছি অন্তত বড় জেলাগুলোতে এনআইসিইউ সাপোর্ট দিতে, যাতে রোগীর জটিলতা বাড়লে এনআইসিইউতে চিকিৎসা করানো যায়।’ 
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে খুলনা বিভাগে প্রতি ১০ লাখে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২.৪ জন, ২০২৫ সালে তা কমে ১ জনে নেমে এলেও ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৭ জনে। 
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার ঠেকাতে নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা ছাড়া বিকল্প নেই। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা রুখশানা পারভীন বলেন, ‘দ্রুত হামের ভ্যাক্সিনেশনের প্রোগ্রাম শুরু করতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে জ্বর বা ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং আক্রান্তদের আলাদা রাখতে হবে।’

বর্তমান পরিস্থিতিতে সচেতনতা, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করাই হতে পারে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায়।

 

April 01, 2026

খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় হিন্দু শিক্ষার্থীর মৃত্যু

খুলনা মহানগরীর সদর থানাধীন জেলা পরিষদের সামনে ইজিবাইকের ধাক্কায় রিকশায় থাকা এক নারী যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যাত্রীর নাম মৌমিতা হালদার (২৬)। তিনি সদর থানার মুন্সিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
তিনি ওই এলাকার তরুণ হালদারের মেয়ে এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আইন অনুষদের শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মৌমিতা হালদার ডাকবাংলা মোড় থেকে রিকশায় করে নিজ গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। পথে খুলনা জেলা পরিষদের সামনে পৌঁছালে একই দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ইজিবাইক রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি রিকশা থেকে নিচে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান।
স্থানীয়রা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


 

Tuesday, March 31, 2026

March 31, 2026

আড়াইশত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বাহক পাকুল্লার শ্রী শ্রী রাধা কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকু্ল্লা শ্রী শ্রী রাধা কালাচাঁদ মন্দির ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। যুগের পর যুগ ধরে মন্দির টি ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভক্তির মেলবন্ধন হয়ে উঠেছে। স্হানীয় মানুষের কাছে মন্দির টি আধ্যাত্নিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। 
১১৯৫ বঙ্গাব্দে রাম মোহন সাহা ও গৌর মোহন সাহা দুই ভাই মিলে মন্দির টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৪২৩ বঙ্গাব্দে স্হানীয় মানুষেরা মিলে মন্দিরটির অবকাঠামো উন্নয়ন করেন। মন্দিরটির স্হাপত্যশৈলীতে রয়েছে প্রাচীনত্নের ছাপ। মন্দিরে নির্মাণ কৌশল ও শিল্পরুচির পরিচয়ে ঐতিহ্য বহন করে। সময়ের বিবর্তনে কিছু সংস্কার হলেও মূল কাঠামো ঐতিহ্য অটুট রাখা হয়েছে। 
 শ্রী শ্রী রাধা কালাচাঁদ মন্দিরে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গীতা পাঠ, শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী, দোলযাত্রা, মহানামযজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন সহ সারা বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। মন্দির প্রাঙ্গণে একটি গ্রন্থাগার, অতিথিশালা, নাট মন্দির, শিব মন্দির ও রন্ধন শালা আছে। মন্দিরের মধ্যে বিভিন্ন দেবদেবীর প্রতিকৃতি নিপুণ ভাবে তৈরি করা হয়েছে। পুন্যার্থী ও দশনার্থীদের আকর্ষণ করার জন্য মন্দিরটিতে সোনালী রঙের প্রলেপ দেয়া হয়েছে। তাই স্হানীয়দের কাছে স্বর্ণ মন্দির নামে পরিচিত। 
শ্রী শ্রী রাধা কালাচাঁদ মন্দির শুধু একটি পূজা স্হল নয়। এই মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে আড়াই শত বছরের ইতিহাস, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির এক অমূল্য নিদর্শন। প্রজন্মের পর প্রজন্মের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা মন্দির টি বহন করে চলছে। 
শ্রী শ্রী কালাচাঁদ মন্দির শুধু ধর্মীয় চর্চার ক্ষেত্রেই নয়। সামাজিক, সংস্কৃতি ও ঐক্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। 
স্হানীয় সনাতন ধর্মের মানুষের কাছে মন্দির টি ধর্মীয়, সামাজিক ও সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে।



 

"
"