ভোলায় বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
ভোলার তজুমদ্দিনে বাকপ্রতিবন্ধী এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে প্রথমে তজুমদ্দিন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার গোলকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বাকপ্রতিবন্ধী ওই নারী তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি এক সন্তানের জননী। গতকাল রাতে উপজেলার পার্শ্ববর্তী গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে গিয়েছিলেন। কীর্তন শেষে বাড়ি ফেরার জন্য রাকিব নামের পরিচিত এক অটোচালকের রিকশায় উঠেন।
ওই অটোরিকশায় তখন শাকিল ও রাসেল নামের আরও দুই পরিচিত যুবক ছিল। অটোরিকশাটি কিছুদূর যাওয়ার পর তিনজন মিলে প্রতিবন্ধী নারীকে জোর করে পাশের সুপারি বাগানে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর তাকে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভোরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে যায়।
তজুমদ্দিন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সামছুল আলম সোহেল গণমাধ্যমকে জানান, ওই নারীকে যখন হাসপাতালে আনা হয়, তখনও তার রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, হাসপাতাল থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


.jpg)

