কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Sunday, October 11, 2026

October 11, 2026

নীলফামারীর ডোমারে দুর্গাপূজার উৎসবের আমেজ, মণ্ডপে রাত জেগে পাহারা স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ


আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে বইছে উৎসবের আমেজ। দুর্গোৎসবে সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মণ্ডপগুলোতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ।

বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা যায়, মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ দায়িত্বে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। অনেকে খোলা মাঠ বা মণ্ডপ চত্বরে মশারি টাঙিয়ে রাত কাটাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, নির্ভয়ে ও আনন্দের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করতেই তারা নিজ উদ্যোগে এই পাহারার ব্যবস্থা করেছেন।

এ বিষয়ে ডোমার থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস আলম সরকার জানান, পূজা উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসবে ডোমার উপজেলার প্রতিটি মণ্ডপে কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষ যেন নির্ভাবনায় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’


 

October 11, 2026

বাংলাদেশের পদার্থবিদ অরুণ কুমার বসাকের বিরল অর্জন


পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটির (এপিএস) ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাক। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় তাঁর ফেলো নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্য থেকে মাত্র ১৫৩ জন এ সম্মাননা অর্জন করেছেন। নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার পাশাপাশি বাংলাদেশে কম্পিউটার-সচেতনতা ও বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারে অবদানের জন্য তাঁকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর কয়েক দিন আগে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সরকার তাঁকে গুণী শিক্ষক সম্মাননায় ভূষিত করে।

এপিএসের আনুষ্ঠানিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, নিউক্লিয়াস-নিউক্লিয়াস বিভব ব্যবহার করে নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের দীর্ঘদিনের জটিল সমস্যার সমাধানে অধ্যাপক বসাক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। পাশাপাশি একজন নিবেদিতপ্রাণ গবেষক, শিক্ষক ও সক্ষমতা উন্নয়নকারী হিসেবে বাংলাদেশে কম্পিউটার-সচেতনতা এবং বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারেও ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি পদার্থবিজ্ঞানের বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও পেশাজীবী সংগঠন। এ সংগঠনের ফেলো নির্বাচিত হওয়া পদার্থবিজ্ঞানে উল্লেখযোগ্য অবদান ও বিজ্ঞানীসমাজে বিশেষ ভূমিকার মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অধ্যাপক বসাকের হাতে গুণী শিক্ষক সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননাপত্র ও দুই লাখ টাকার চেক তুলে দেন। জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার স্বীকৃতি অধ্যাপক বসাকের দীর্ঘ শিক্ষকতা ও গবেষণাজীবনের অর্জনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

গবেষণা ও শিক্ষকতার পাশাপাশি দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিশিক্ষার অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অবদান রয়েছে অধ্যাপক বসাকের। বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সেন্টার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ গড়ে তোলার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

গুগল স্কলারে অধ্যাপক বসাকের গবেষণা প্রোফাইলে ১ হাজার ৭১৫টি সাইটেশন, ২৬টি এইচ-ইনডেক্স এবং ৬২টি আই-১০ ইনডেক্স রয়েছে। তবে গবেষণার গুরুত্ব নির্ধারণে শুধু সাইটেশন বা সংখ্যাগত সূচক নয়, গবেষণার মৌলিকত্ব, গুণগত মান এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ।

অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাকের এপিএস ফেলো নির্বাচিত হওয়ার খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে অনেকে তাঁর গবেষণা ও শিক্ষকতায় অবদানের প্রশংসা করছেন।

শিক্ষার্থী মারুফ হাসান বলেন, ‘অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাক স্যারের এ অর্জন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর এ স্বীকৃতি প্রমাণ করে, গবেষণার মান ও অবদানই একজন বিজ্ঞানীর প্রকৃত পরিচয়।’ আরেক শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন, ‘একজন শিক্ষক যখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পান, তখন তা শিক্ষার্থীদেরও অনুপ্রাণিত করে।’


 

October 11, 2026

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় দুর্গা মন্দিরে নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ

 

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বগুড়া মজুমদার পাড়া দুর্গা মন্দিরে নির্মাণাধীন প্রতিমার বিভিন্ন অংশ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পূর্বশত্রুতার জেরে কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন মন্দির কমিটির নেতারা। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোররাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

মন্দির কমিটির সভাপতি তপন মন্ডল বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মন্দির পরিষ্কার করতে এসে এক নারী কয়েকটি প্রতিমার বিভিন্ন অংশ ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে মন্দির কমিটির নেতারা ঘটনাস্থলে এসে ভাঙচুরের বিষয়টি দেখতে পান।

তিনি বলেন, প্রতিমার মধ্যে গণেশের ডান হাতের কবজির দুটি অংশ ভেঙে পড়ে ছিল। বাম হাতের কনুই মোচড়ানো অবস্থায় ছিল। লক্ষ্মীর ডান ও বাম হাতের কনুই মোচড়ানো ছিল। কার্তিকের বাম হাতের আঙুল ভাঙা এবং ডান হাতের কনুই মোচড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া ময়ূরের গলাও মোচড়ানো ছিল। পরে কারিগর ডেকে দুপুরে প্রতিমাগুলোর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করা হয়।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক তন্ময় মজুমদার বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কিছুক্ষণ পর একটি নম্বর থেকে তাকে ফোন করে ঘটনার সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে নিষেধ করা হয়।

এদিকে, খবর পেয়ে শৈলকুপার হাট ফাজিলপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম বলেন, ‘একটি অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পেয়ে আমরা মন্দিরে আসি। পরে প্রতিমাগুলো মেরামত করা হয়। তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।’


Saturday, October 10, 2026

October 10, 2026

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর


কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতের কোনো একসময় মন্দিরে ঢুকে প্রতিমাগুলো আংশিক ভাঙচুর করা হয় বলে জানিয়েছেন কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন।

ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘রাত ২টার পর মন্দিরে কেউ ছিলেন না। দুর্বৃত্তরা এই সুযোগে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, মন্দিরের কমিটি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার কমিটির সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের কথা হয়। তারা জানিয়েছিলেন, মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং কোনো সমস্যা নেই। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৌশিক বিশ্বাস জানান, বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত কমিটির সদস্যরা মন্দিরে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘সকাল ৬টার দিকে ঘুম থেকে উঠে দেখি, মন্দিরের বাঁশের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে।’ কৌশিক বিশ্বাস জানান, দুর্বৃত্তরা চারটি প্রতিমার মাথা ভেঙে দিয়েছে।


 

October 10, 2026

মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা, ঢাকেশ্বরীতে উপস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনার

চণ্ডীপাঠ, মঙ্গলঘট স্থাপন এবং ঢাক-কাঁসা ও শঙ্খের ধ্বনিতে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আসার আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটল পিতৃপক্ষের এবং সূচনা হলো দেবীপক্ষের। একই সঙ্গে শুরু হয়ে গেল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা। রাজধানী ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পবিত্র মহালয়ার উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মহালয়া উপলক্ষে শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেবীপক্ষের এই সূচনালগ্নে ভারতীয় হাইকমিশনার সশরীরে উপস্থিত থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মহালয়ার শুভেচ্ছা ও উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

আজ ভোর ৬টা থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে মহালয়ার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে তিল-তর্পণ অনুষ্ঠিত হয় এবং সকাল ৯টায় বিশেষ প্রার্থনা ও মহালয়ার ঘট স্থাপন করা হয়।

পূজা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার সারাদেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ছয় দিনব্যাপী মূল দুর্গোৎসব এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে।


 

Wednesday, October 7, 2026

October 07, 2026

চুয়েট থেকে হাইড্রোজেন বিমান গবেষণায়: দেবযানী ঘোষের আন্তর্জাতিক পথচলা


চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে পড়াশোনা করে আন্তর্জাতিক বিমান প্রযুক্তির গবেষণায় জায়গা করে নিয়েছেন দেবযানী ঘোষ। চুয়েটের শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু হওয়া তাঁর প্রকৌশলী হওয়ার যাত্রা আজ জার্মানির হাইড্রোজেনচালিত বৈদ্যুতিক বিমান প্রযুক্তির গবেষণার সঙ্গে যুক্ত।

দেবযানী ঘোষ ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বড়ে ওঠেন। অপর্ণাচরণ উচ্চবিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনা শেষে তিনি ভর্তি হন চুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগে। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি চুয়েটে পড়াশোনা করেন।

চুয়েটে অর্জিত জ্ঞান তাঁকে নিয়ে যায় আরও বিশেষায়িত গবেষণার দিকে। বিদ্যুৎ, শক্তি রূপান্তর, পাওয়ার ইলেকট্রনিকস ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির সঙ্গে তাঁর গবেষণার গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়। স্নাতক শেষে তিনি জার্মানিতে যান। ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আরডাব্লিউটিএইচ আচেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালে ইনফিনিয়ন টেকনোলজিস এজিতে ইন্টার্ন হিসেবেও কাজ করেন।

জার্মানির উলম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি কনভার্সন অ্যান্ড স্টোরেজে গবেষক হিসেবে কাজ করার সময় দেবযানী যুক্ত হন এইচওয়াই৪ প্রকল্পের সঙ্গে। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম চার আসনের হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলচালিত যাত্রীবাহী বিমান। ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জার্মানির স্টুটগার্ট বিমানবন্দর থেকে বিমানটির প্রথম সফল উড্ডয়ন হয়।

এই প্রকল্পে দেবযানীর কাজ ছিল বিমানের বিদ্যুৎশক্তি ব্যবস্থাপনা ও পাওয়ার ইলেকট্রনিকস নিয়ে। উলম বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল শূন্য নিঃসরণ হাইব্রিড বৈদ্যুতিক বিমানের জন্য নতুন হাইব্রিড ধারণা, যেখানে ডিসি থেকে এসি বিদ্যুৎ রূপান্তর, সরাসরি নিয়ন্ত্রণ এবং পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা হয়। ফুয়েল সেল ও ব্যাটারিনির্ভর হাইব্রিড বৈদ্যুতিক বিমানের জন্য এসি হাইব্রিড ব্যবস্থা এবং পাওয়ার ইলেকট্রনিকস নিয়ে তাঁর গবেষণাপত্রও প্রকাশিত হয়েছে।

বর্তমানে তিনি জার্মানির এইচ২ফ্লাইয়ের সঙ্গে যুক্ত এবং হাইড্রোজেন বৈদ্যুতিক বিমান প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটি হাইড্রোজেনভিত্তিক বৈদ্যুতিক চালনা ব্যবস্থা, ফুয়েল সেল প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যতের পরিবেশবান্ধব বিমান চলাচলের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।

হাইড্রোজেনভিত্তিক বিমান প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য হলো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর বিমান চলাচলের নির্ভরতা কমানো। ফুয়েল সেলে হাইড্রোজেন ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সরাসরি কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন হয় না। ফলে সবুজ হাইড্রোজেন ব্যবহার করা গেলে ভবিষ্যতের বিমান চলাচলকে আরও কম কার্বন নিঃসরণকারী করার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

চট্টগ্রাম থেকে চুয়েট, চুয়েট থেকে জার্মানি, আর সেখান থেকে ভবিষ্যতের পরিবেশবান্ধব বিমান প্রযুক্তি—দেবযানী ঘোষের এই পথচলা দেখায়, বাংলাদেশের একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান কীভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।


 

October 07, 2026

দুর্গাপূজায় তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণাকে স্বাগত জানাল ঐক্য পরিষদ


শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর—এই তিন দিন সরকারি ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই স্বাগত জানানো হয়। এতে বলা হয়, এর মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে একইসঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে সরকারি ছুটি একদিন বাড়ানো এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডে উপলক্ষে একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

October 07, 2026

খুলনায় অনন্য এক দুর্গা প্রতিমা ঘিরে তুঙ্গস্পর্শী জল্পনা: আগমণী ভাবনায় শৈশবের ‘ঘরের মেয়ে উমা’

 

​

​শরতের শিউলিঝরা সকালে চারদিকে এখন শুধুই আনন্দের শিহরণ। কিন্তু এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবে খুলনা শহর ছাড়িয়ে পুরো দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এক অনন্য দুর্গা প্রতিমা। ১২৯ তম বর্ষে পদার্পণ করা ঐতিহ্যবাহী 'সাহেবের কবরখানা সার্বজনীন পূজা কমিটি'র প্রতিমাটি দেখার জন্য এখন মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের উপচে পড়া ভিড় এবং কৌতূহল।
​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে শহরের অলিগলি—সবখানেই এখন এই প্রতিমা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। কেউ একে ভালোবেসে বলছেন ‘কিউট দুর্গা’, কেউবা শৈশবের আদলে দেখে আখ্যা দিচ্ছেন ‘কার্টুন দুর্গা’ বলে। তবে প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে কেন এমন রূপ দেওয়া হলো? উত্তর মিলল সাহেবের কবরখানা সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি বিষ্ণু ঘোষের কণ্ঠে।
​কমিটির সভাপতি বিষ্ণু ঘোষ জানান, এবারের পূজায় তাঁদের মূল আগমনী ভাবনা—‘ঘরের মেয়ে উমা’। তিনি বলেন, “দেবী দুর্গা আমাদের কাছে কেবল ত্রিভুবনতারিণী, সর্বশক্তিমান ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ নন—তিনি তো আমাদের ঘরের সন্তান, আমাদের আদরের উমা। সারাটা বছর কৈলাসের কঠিন দায়িত্ব সামলে, আশ্বিনের মিষ্টি আলোয় তিনি যখন মর্ত্যের এই বাপের ভিটায় ফিরে আসেন, তখন কি তিনি আর শুধুই কোনো দেবী থাকেন? না, তখন তিনি এক পরম স্নেহের কন্যা।”
​ভাবনার গভীরতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “সময়ের নিয়মে বছর ঘোরে, বয়স বাড়ে, কিন্তু বাবা-মায়ের চোখে কি তাঁর ছোট্ট খুকি কখনো সত্যিই বড় হয়? শৈশবের সেই মায়াবী হাসি, অবুঝ আবদার আর অমলিন চঞ্চলতা—মেয়ে যত বড়ই হোক না কেন, মা-বাবার কাছে সে তো সারাজীবন সেই অবুঝ শিশুটিই থেকে যায়।”
​এই অনুভূতির বহির্প্রকাশ ঘটাতেই এবার সাহেবের কবরখানা সার্বজনীন পূজা কমিটির মণ্ডপে দেবীকে কোনো গম্ভীর ও ভয়াল শক্তিস্বরূপা হিসেবে নয়, বরং ভালোবাসায় আগলে রাখা বাৎসল্যের সেই ছোট্ট 'উমা' রূপে আবাহন জানানো হয়েছে।
​সনাতন শাস্ত্রীয় শক্তিপূজার পাশাপাশি ঘরের মেয়েকে পরম ভালোবাসায় বরণ করে নেওয়ার এই প্রাচীন ও চিরায়ত অনুভূতি এখন ছুয়ে যাচ্ছে দর্শনার্থীদের হৃদয়। চিরাচরিত রূপের বাইরে গিয়ে এমন শিশুসুলভ ও মমতাময়ী রূপ দেখে মুগ্ধ সবাই। পূজা কমিটির আহ্বান—আসুন, মহাশক্তির আরাধনার পাশাপাশি ঘরের মেয়ের প্রতি ভালোবাসার এই চিরন্তন সুরটি আমরা সবাই অন্তরে অনুভব করি।


October 07, 2026

অস্ট্রেলিয়ায় সহজলভ্য হলো ডেঙ্গু টিকা ‘কিউডেঙ্গা’, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে স্বস্তি


মশার কামড়ে ছড়ানো প্রাণঘাতী ডেঙ্গু প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো সহজে পাওয়া যাচ্ছে কার্যকর টিকা ‘কিউডেঙ্গা’। বিদেশে ভ্রমণকারীদের মধ্যে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ টিকাটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এখন চিকিৎসকের (জিপি) ব্যবস্থাপত্র নিয়ে রোগীরা সরাসরি এই টিকা নিতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ায় ডেঙ্গুর টিকা পাওয়ার খবরে সেখানকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। প্রতি বছর ছুটির মৌসুমে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী সপরিবার বাংলাদেশে যান। তবে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুর ঘটনায় তাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক কাজ করে, বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে।

সিডনির লাকেম্বার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইরফান খান বলেন, ‘সামনে লম্বা ছুটিতে সন্তানদের নিয়ে দেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। বাংলাদেশে ডেঙ্গুর যে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায়, তাতে মন সব সময় ভয়েই থাকে। অস্ট্রেলিয়ায় এই টিকা মেলায় বড় দুশ্চিন্তা কমল। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাচ্চাদের আগেই টিকা দিয়ে নিতে চাই।’

আরেক প্রবাসী সৈয়দ আশরাফ আহমেদ বলেন, ‘ডেঙ্গু এখন সাধারণ জ্বরের চেয়ে বেশি কিছু, এটি প্রাণঘাতী রূপ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় বসে যখন দেশে পরিচিতজনদের মৃত্যুর খবর শুনি, তখন আঁতকে উঠি। দেশে যাওয়ার আগেই সুরক্ষাকবচ হিসেবে টিকা পাওয়াটা আমাদের জন্য বড় স্বস্তির।’

অস্ট্রেলিয়ার টিকাদান-সংক্রান্ত জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি জানিয়েছে, চার বছর বা তার বেশি বয়সীরা কিউডেঙ্গা টিকা নিতে পারবেন। বিশেষ করে যারা অতীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ডেঙ্গুপ্রবণ অঞ্চলে ভ্রমণে যাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই টিকা নেওয়ার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শূন্য দশমিক ৫ মিলিলিটারের দুটি ডোজে এই টিকা দেওয়া হয়। প্রথম ডোজের অন্তত ১২ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হয়।

রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অব জেনারেল প্র্যাকটিশনার্সের জনস্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞ ডা. পিটার মার্কি জানান, ডেঙ্গুর চারটি পৃথক ধরন রয়েছে। কোনো ব্যক্তি একবার কোনো এক ধরনে আক্রান্ত হয়ে থাকলে, আর দ্বিতীয়বার ভিন্ন ধরনে সংক্রমিত হলে তা মারাত্মক, এমনকি প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে। তাই ডেঙ্গুপ্রবণ অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদে বসবাস বা একাধিকবার ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে এই টিকা নেওয়া জরুরি।

বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর প্রায় ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হওয়া রোগীদের প্রায় শতভাগই বিদেশ ভ্রমণের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে ফেরেন। দেশটিতে ২০২৪ সালে রেকর্ড ২ হাজার ৩৮১ জন এবং ২০২৫ সালে ১ হাজার ৮৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়।

ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভারতের মতো ঘন ঘন ডেঙ্গু সংক্রমণের দেশগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও প্রবাসী ও ভ্রমণকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন দেশটির চিকিৎসকরা।

ডেঙ্গুর প্রথম টিকা ‘ডেংভ্যাক্সিয়া’ ২০১৫ সালে অনুমোদন পেলেও তা কেবল পূর্বে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। অন্যদিকে কিউডেঙ্গা টিকার বড় সুবিধা হলো, যারা অতীতে কখনোই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হননি, তারাও এটি নিতে পারেন। অনেক যাচাই-বাছাই শেষে অস্ট্রেলিয়ায় অনুমোদন পাওয়ার পর টিকাটি এখন সাধারণের জন্য সহজলভ্য হলো।

 

October 07, 2026

জাতপাতের দেয়াল ভেঙে দুর্গা প্রতিমা গড়ে তুলছেন হরিজন সম্প্রদায়ের পতন বাঁসফোর


সমাজ ও জাতপাতের প্রচলিত গোঁড়ামি এবং শত বছরের পুরনো সামাজিক ট্যাবুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রংপুরের হরিজন সম্প্রদায়ের পতন বাঁসফোর।

শিল্পের কোনো জাত বা সীমানা হয় না—

এই সত্যকে সামনে রেখে তিনি নিজ হাতে তৈরি করছেন শারদীয় দুর্গোৎসবের দেবী দুর্গার প্রতিমা। তাঁর এই সৃজনশীল ও সাহসী পদক্ষেপ শুধু রংপাতা বা শিল্পাঙ্গনেই নয়, বরং পুরো সমাজে বয়ে এনেছে সাম্য ও অন্তর্ভুক্তির এক শক্তিশালী বার্তা।

​যুগে যুগে আমাদের সমাজে হরিজন সম্প্রদায়সহ প্রান্তিক ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মানুষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেশা নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে। সমাজের প্রচলিত এই সংকীর্ণ মানসিকতার বেড়াজাল ছিন্ন করে মূলধারার শিল্পকর্মে জড়িয়ে পড়া চাট্টিখানি কথা নয়। পতন বাঁসফোর সেই অদৃশ্য দেয়াল ভেঙে প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছা, মেধা ও শ্রম থাকলে যেকোনো মানুষ তার মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারেন।

​খড়, বাঁশ, মাটি আর সুতলির নিখুঁত বুননে যখন একের পর এক তৈরি হচ্ছে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের অবয়ব, তখন তার প্রতিটি আঁচড়ে যেন লুকিয়ে রয়েছে পতন বাঁসফোরের জীবনসংগ্রাম ও বিজয়ের গল্প।

তাঁর এই কাজে স্থানীয় সচেতন মহলেও দারুণ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বলছেন, হরিজন সম্প্রদায়ের একজন সদস্যের এমন শৈল্পিক কর্মপ্রয়াস সমাজে জাতভিত্তিক বৈষম্য ও বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

​বিশেষজ্ঞদের মতে, পতন বাঁসফোরের মতো এমন উদ্যোগগুলো সমাজে মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর ঘটাতে সাহায্য করে। এটি কেবল একটি প্রতিমা তৈরির কাজ নয়, এটি মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একটি নতুন লড়াই।

রংপুরের এই শ্রমজীবী মানুষের শিল্পকর্ম আজ শুধু একটি সংবাদ নয়, বরং সাম্যবাদী সমাজ গঠনের এক অনন্য অনুপ্রেরণা।


 

"
"