শারদীয় দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের আহ্বান
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা সারা দেশে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে সংগঠনগুলো।
শনিবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশের যুব ঐক্য পরিষদের এক বর্ধিত সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভা থেকে নিরাপত্তা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা এবং নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সভায় উচ্চ পর্যায়ের উপস্থিতি ও বক্তৃতা
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি অধ্যাপক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মিলন কান্তি দত্ত এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ। যুব ঐক্য পরিষদের নেতৃত্ব সহযোগে অংশগ্রহণ করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মীরা।
কী সিদ্ধান্ত গৃহীত?
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়— প্রতিটি জেলার পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধানে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি, পূজামণ্ডপ পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন, সামাজিক মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ, এবং বিভিন্ন এলাকার মধ্যে সম্প্রীতি বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ।
স্থানীয় ও জাতীয় প্রাসঙ্গিক দিক
নেতারা উল্লেখ করেছেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান না—এটি জাতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ; সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণ এটি সম্মিলিত মিলনমেলা হিসেবে পরিণত করে। তাই এসময় আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সামাজিক সৌহার্দ্য রক্ষা করা অপরিহার্য।
সভায় উপস্থিত নেতারা
সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি সজীব বড়ুয়া; সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট পলাশ নাথ। বক্তব্য দেন— বলরাম বাহাদুর, শিমুল সাহা, সুবল ঘোষ, ধনঞ্জয় দাস ধনু, নিখিল বালা, রঞ্জিত সেন, সুজন রায়, অমিত ভৌমিক, সুদীপ্ত শর্মা, শুভদীপ শিকদার শুভ, অনিন্দ্য সাহা, বিপুল দেবনাথ, প্রহ্লাদ রায়, ব্যারিস্টার সৌমিত্র সরদার, শিউলী রায়, চন্দ্রা রায় চম্পা, উত্তম দাস, জয়দেব চক্রবর্তী ও জেলা প্রতিনিধিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের আহ্বান
সংগঠনগুলো নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে— উৎসবকালীন সময়ে সহবস্থান, পারস্পরিক সম্মান ও আইন মেনে চলার মাধ্যমে উৎসব উদযাপন করতে এবং সম্ভাব্য কোন ধরনের উত্তেজনা রোধে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে।
উপসংহার
সভায় গৃহীত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় যে আসন্ন দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা সযত্নে, সৌহার্দ্যে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হবে এবং দেশের সর্বস্তরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।

No comments:
Post a Comment