চট্টগ্রাম বন্দরে একসঙ্গে চারটি জাহাজে করে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল এসে পৌঁছেছে। এই বড় চালানে ডিজেল ও অকটেন—দুই ধরনের জ্বালানিই রয়েছে, যা চলমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, চারটি জাহাজের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬৫১ টন ডিজেল এবং ২৭ হাজার ৩৬৩ টন অকটেন আমদানি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি অকট্রি’ জাহাজ থেকে লাইটারিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জাহাজটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের ডলফিন জেটিতে নোঙর করার কথা রয়েছে।
বিপিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ১৭ এপ্রিল চারটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে এবং চলতি সপ্তাহে আরও কয়েকটি জ্বালানির চালান আসার কথা রয়েছে। এতে করে আপাতত জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্য জাহাজগুলোর মধ্যে পর্তুগালের পতাকাবাহী ‘এমটি কেপ বনি’ নিয়ে এসেছে ৩৩ হাজার ৩৯৮ টন ডিজেল। কেম্যান আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ এনেছে ২৭ হাজার ৩৬৩ টন অকটেন এবং চীনের পতাকাবাহী ‘এমটি লিয়ান সং হো’ বহন করে এনেছে ৪১ হাজার ৯০৭ টন ডিজেল। এই তিনটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের আলফা অ্যাংকরে অবস্থান করছে।
ভেসেল ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ‘এমটি অকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ ১২ এপ্রিল, ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ ১০ এপ্রিল মালয়েশিয়ার তানজুং পেলেপাস বন্দর থেকে এবং ‘এমটি লিয়ান সং হো’ ৮ এপ্রিল ভারতের শিখা বন্দর থেকে যাত্রা করে চট্টগ্রামে পৌঁছায়।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং সরবরাহ চাপে থাকার সময় এমন বড় চালান আসায় দেশীয় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পরিবহন ও শিল্পখাতে জ্বালানির চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment