কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র-এ পানির স্তর কমে যাওয়ায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে চারটিই বন্ধ রয়েছে, চালু আছে মাত্র একটি ইউনিট। ফলে উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াটে, যেখানে বর্ষা মৌসুমে এই কেন্দ্র থেকে দৈনিক প্রায় ২৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, চালু থাকা ২ নম্বর ইউনিট থেকেই এই সীমিত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। পানির স্তর দ্রুত কমে যাওয়ায় মঙ্গলবার থেকে উৎপাদন আরও কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, কিছুদিন আগেও দুটি ইউনিট চালু রেখে উৎপাদন অব্যাহত ছিল। তবে পানি কমতে থাকায় এখন একটিমাত্র ইউনিট সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, শিগগির বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম।
কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়া স্বাভাবিক হলেও এবারের পরিস্থিতি তুলনামূলক বেশি সংকটজনক। রুলকার্ভ অনুযায়ী যেখানে পানির স্তর থাকার কথা ৮৩.৮০ এমএসএল, সেখানে বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৭৭.৪৭ এমএসএলে।
কাপ্তাই হ্রদ-এর পানির ওপর নির্ভরশীল এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি মৌসুমভিত্তিক। তাই বর্ষা শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই উৎপাদন সংকট অব্যাহত থাকতে পারে, যা জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহেও প্রভাব ফেলতে পারে।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment