সাওঘাট পশ্চিম মনিপাড়া শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দিরের সভাপতি কালিপদ চন্দ্র দাস জানান, রবিবার রাতে ১০ জন দুর্বৃত্ত পূর্বপরিকল্পিতভাবে লোহার পাইপ, লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে। তারা মন্দিরে থাকা সরস্বতী প্রতিমা, চেয়ার, পাতিল, বৈদ্যুতিক তার, লাইটসহ অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা সরস্বতী প্রতিমার গায়ে থাকা দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। পরে কেরোসিন বা মবিলজাতীয় পদার্থ দিয়ে মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করে, যার ফলে মন্দিরের মালামাল পুড়ে যায়। এ সময় আশপাশের মানুষ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শব্দ শুনে এগিয়ে আসে এবং চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, মন্দিরের জমি নিয়ে পার্শ্ববর্তী সিংলাব এলাকার জাকির হোসেন নামের এক প্রভাবশালীর সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলা রয়েছে। এর আগে জাকির হোসেন মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর এবং ভয়-ভীতির হুমকিও দিয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে মন্দিরে সশস্ত্র হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা নেক্কারজনক। এই ঘটনার পর থেকে সাওঘাট ঋষিপাড়া এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে। মন্দিরের জমি নিয়ে বিরোধের প্রেক্ষাপটে প্রতিপক্ষ জাকির হোসেনের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) মেহেদী হাসান বলেন, ‘সাওঘাট পশ্চিম মনিপাড়া শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। মন্দির থেকে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এই ধরনের ঘটনা পারে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
.jpg)
No comments:
Post a Comment