যশোরের কেশবপুর উপজেলার চালিতা বাড়িয়া শ্রীরামপুর গ্রামে অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো ব্রহ্মময়ী কালী মন্দির এখন ধ্বংসের মুখে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যশৈলীর এই ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনটি দ্রুত বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
লাল ইটের তৈরি মন্দিরটি একসময় এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এর খিলানযুক্ত প্রবেশপথ ও শক্ত দেয়াল এখনো অতীতের নির্মাণশৈলীর সাক্ষ্য বহন করলেও বর্তমানে অবহেলার কারণে এর অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মন্দিরের ছাদ ও দেয়ালে গাছপালা জন্মেছে, ইট খসে পড়ছে এবং ভেতরের কাঠামো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একসময় যেখানে পূজা-পার্বণে মুখর থাকত এলাকা, এখন সেখানে নীরবতা আর ধ্বংসের চিহ্ন।
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, একসময় এই মন্দিরকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও এখন তা শুধুই স্মৃতি। মন্দির পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমিত সামর্থ্যের কারণে সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।
তাদের দাবি, দ্রুত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এগিয়ে এলে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি সংরক্ষণ করা সম্ভব এবং ভবিষ্যতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানে পরিণত হতে পারে।
এলাকাবাসীর আশা—সময় থাকতে উদ্যোগ নেওয়া হলে এই ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনটি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment