উক্ত ঘটনা পরিদর্শনের সময় সেখানে অবস্থানরত খুলনা জেলার পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-এর নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎকালে এ জঘণ্য ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, দ্রুত মন্দিরগুলো পুনঃ সংস্কার, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সার্বক্ষণিক আইন-শৃংখলা বাহিনী নিয়োগের জোর দাবী জানান। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, রূপসা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু, সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বরার্ট নিক্সন ঘোষ, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও মহানগর পূজা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু, খুলনা মহানগর পূজা পরিষদের সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য উজ্জল ব্যানার্জী, ভবেশ কুমার সাহা, অলোক কুমার দে, রবিন দাস, যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অনিন্দ্য সাহা, ছাত্র ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর আহ্বায়ক পাপ্পু সরকার, যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা সদর থানা আহ্বায়ক লিটন রায়, সদস্য সচিব বিদ্যুৎ নন্দী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
খুলনা জেলার রূপসা উপজেলাধীন শিয়ালী গ্রামে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার তা-বলীলায় গত ৭ আগস্ট শনিবার আনুমানিক বিকেল ৫:৩০ টায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির, মন্দিরের সকল বিগ্রহ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সমাধি, বাড়িঘর ভাংচুর ও সম্পদ লুটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা জানার সাথে সাথে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা এবং বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব ঐক্য পরিষদ-এর নেতৃবৃন্দ যৌথভাবে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং রাত ২টা পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে অবস্থান করেন। নেতৃবৃন্দ সেখানে পৌঁছালে এলাকার ভুক্তভুগীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ও আহজারি করতে থাকেন এবং বলেন, পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রাম হতে সশস্ত্র চিহ্নিত একদল উগ্র সাম্প্রদায়িকগোষ্ঠী সুপরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়। এ সময়ে নেতৃবৃন্দ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের সাথে কথা বলেন ও তাদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে সব সময় তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

No comments:
Post a Comment