বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Saturday, October 23, 2021

ব্রাহ্মণ সংসদ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ, মন্দির-বাড়িঘরে অগ্নি সংযোগ-ভাংচুর-লুটপাটের প্রতিবাদে খুলনা মহানগর ও জেলা’র উদ্যোগে মানববন্ধন




বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংদদ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার উদ্যোগে সারাদেশে বিভিন্ন সময় এবং শারদীয়া দুর্গাপূজার প্রাক্কাল থেকে বিভিন্ন দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ, মন্দির, বাড়িঘরে অগ্নি সংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনার প্রতিবাদে আজ ২২ অক্টোবর ২০২১ শুক্রবার খুলনা মহানগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি রণজিৎ মুখোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুরেশ চক্রবর্ত্তীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন ইস্কন, রাধামাধব মন্দির খুলনা অধ্যক্ষ গৌড়েশ্বর নিমাই দাস ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু, শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, খুলনার সভাপতি শ্রীমৎ স্বামী ধর্মানন্দজী ও সাধারণ সম্পাদক প্রণব রায়চৌধুরী, রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক প্রণব রায়, ব্রাহ্মণ সংসদ, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. নবকুমার চক্রবর্ত্তী, খুলনা মহানগরের সহ-সভাপতি দিপঙ্কর রায়, সুদর্শন চক্রবর্ত্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় মুখার্জী, সদর থানা সভাপতি স্বপন চক্রবর্ত্তী, সাধারণ সম্পাদক লিটন চক্রবর্ত্তী, সোনাডাঙ্গা থানা সাধারণ সম্পাদক দিবাকর রায়, খুলনা সদর থানা পূজা পরিষদের সভাপতি বিকাশ চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সাহা লব, মহানগর পূজা পরিষদের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য উজ্জ্বল ব্যানার্জী, ভবেশ সাহা, বাবু শীল, গৌরাঙ্গ সাহা, রবীন দাস, ভোলানাথ দত্ত, সুশান্ত ব্যানার্জী; সোনাডাঙ্গা থানা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার, অনিন্দ্য সাহা, বিদ্যুৎ নন্দী, অলোক দে, রবীন দাস, সজল দাস, অলোকে দে, নগর ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক পাপ্পু সরকার, সদস্য সচিব প্রণব চক্রবর্ত্তী প্রমুখ।  

বক্তারা বলেন, শারদীয়া দুর্গাপূজার অষ্টমীতে কুমিল্লার একটি মন্দিরে ধর্ম অবমাননার ধুয়া তুলে মৌলবাদীগোষ্ঠী যে সহিংস ঘটনার সৃষ্টি করেছে সেই কথিত কুচক্রীকে গ্রেফতারের পরেও নোয়াখালী ইস্কন মন্দিরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর-লুটপাটসহ মন্দিরে অবস্থানরত প্রভুদের উপর নির্যাতন করা হয়, যার ফলে এক প্রভু মৃত্যুবরণ করেন। শুধু তাই নয় নোয়াখালী রামকৃষ্ণ মিশনসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ, নোয়াখালী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ভোলা, বরগুনা, খুলনার কয়রা এবং ঢাকাসহ সর্বশেষ রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু পল্লীতে ৬৫টি বাড়িঘর ও মন্দির ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। বক্তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির, বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নি সংযোগ ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার মাধ্যমে বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত ও ভক্তদের হত্যা, নারী ও শিশুদের ধর্ষণসহ হত্যার বিচার চেয়ে সরকারের নিকট এ সমস্ত সহিংতা বন্ধ ও দোষীদের দ্রæত গ্রেফতারপূর্বক কঠোর শাস্তির দাবী জানান। 

 

No comments:

Post a Comment

"
"