বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Saturday, October 24, 2026

চার দিন নিখোঁজের পর পুকুরে মিলল গৃহবধূর মরদেহ, হাত-পা বাঁধা ছিল


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চার দিন নিখোঁজ থাকার পর রত্না দাস (৩০) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের হাত-পা দড়ি দিয়ে একটি ভারী বস্তুর সঙ্গে বাঁধা ছিল।

নিহত রত্না দাস খাগালিয়া গ্রামের সুশীল দাসের স্ত্রী। তাঁর বাবার বাড়ি সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মধ্যপাড়ায়। তাঁর একটি সন্তান রয়েছে। স্বামী সুশীল দাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের একটি হোটেলে কাজ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন রত্না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। পরদিন তাঁর স্বামী নাসিরনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশের পুকুরে কিছু একটা ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। কাছে গিয়ে তাঁরা এক নারীর মরদেহ দেখতে পান। পরে স্বজনেরা এসে মরদেহটি রত্না দাসের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ ফুট দূরের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর গলায় শাড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং দুই হাত ও পা দড়ি দিয়ে সিমেন্টের স্লাবের মতো একটি ভারী বস্তুর সঙ্গে বাঁধা ছিল।

ওসি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

এদিকে, নিহতের স্বজনদের দাবি, বাড়িতে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও খোয়া গেছে। তাঁদের ধারণা, রত্নাকে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে তদন্তের ফল পাওয়া যায়নি।

রত্নার মামা বিনোদ দাস এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছেন।


 

No comments:

Post a Comment

"
"