রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে কয়েক বছর আগে ঘটে যাওয়া প্রথম বাস ডুবির মর্মান্তিক ঘটনার পর যাত্রী নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসন। ওই ঘটনার পর থেকে ফেরিতে কোনো বাস বা বড় যানবাহন ওঠার আগে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা কার্যকর করা হয়।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে পরবর্তীতে সংঘটিত দ্বিতীয় বাস ডুবির ঘটনায় বাসটি নদীতে তলিয়ে গেলেও কোনো যাত্রীর প্রাণহানি ঘটেনি। কারণ যাত্রীরা আগে থেকেই বাস থেকে নেমে ফেরিতে অবস্থান করছিলেন। ফলে সম্ভাব্য বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়।
স্থানীয়দের মতে, যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া এই উদ্যোগ ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ অনেক মানুষের জীবন রক্ষা করেছে বলে মনে করছেন তারা।
এ কারণে গোয়ালন্দ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তাঁর দায়িত্বশীলতা ও জননিরাপত্তামুখী পদক্ষেপের ইতিবাচক আলোচনা চলছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কর্মদক্ষতা ও প্রশাসনিক সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা বিভাগের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ইউএনও সাথী দাস। তাঁর নেতৃত্বে গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।
সচেতন মহলের অভিমত, জননিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নেওয়া এমন সিদ্ধান্ত এবং দক্ষ প্রশাসনিক নেতৃত্বই একজন কর্মকর্তার প্রকৃত সাফল্যের পরিচয় বহন করে।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment