টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া আট বছরের শিশু সেজুঁতি রানীর পরিবারের কান্না যেন থামছেই না। শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে নিহত সেজুঁতির বাড়িতে পৌঁছালে মেয়ের বিচার চেয়ে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এড. আহমেদ আযম খানের পায়ে লুটিয়ে পড়েন তার বাবা-মা। হৃদয়বিদারক সে দৃশ্যে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকার পরিবেশ।
মন্ত্রী সান্ত্বনা জানাতে গিয়ে সেজুঁতির পরিবারকে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন এবং বলেন, "এক সপ্তাহের মধ্যে সেজুঁতির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আনতে হবে। যদি হত্যাকাণ্ডের আলামত পাওয়া যায়, তবে খুনিদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। রামিসা হত্যা মামলার মতোই অতি দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে।"
নিহতের বাবা ফালু চন্দ্র বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, "আমার মেয়েকে পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়েছে, আমি ফাঁসি চাই।"
সখিপুর থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন জানান, "শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ দিনরাত কাজ করছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি, মৃত্যুর পেছনে কোনো কারণ থাকলে তা বের করা হবে।"
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন বিকেলে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় স্থানীয় কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সেজুঁতি রানী। ২২ জুন সকালে সখিপুর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি, তবে তদন্ত চলমান রেখে দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মন্ত্রী।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment