পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের বীরপাশা গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের পারিবারিক শ্মশান ও পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই অবসরপ্রাপ্ত সহোদর শিক্ষক আব্দুল খালেক মৃধা ও লতিফ মৃধার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী গীতা রানী মিত্র জানান, তার শ্বশুর শশী ভূষণ মিত্রের মৃত্যুর পর সম্পত্তির মালিক হন তিন ছেলে। প্রায় ১৪ বছর আগে তার স্বামী মারা যান। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ২০ বছর আগে তিন ভাই আব্দুল খালেক ও লতিফ মৃধার কাছে সাড়ে ৪১ কড়া জমি বিক্রি করলেও এখন ক্রেতাপক্ষ প্রায় ৪৮ কড়া জমি জোরপূর্বক ভোগদখল করছেন।
গীতা রানীর অভিযোগ, বিক্রিকৃত জমির বাইরে থাকা তাদের পারিবারিক শ্মশানটিও দখল করে নেওয়া হয়েছে, যেখানে শশী ভূষণ মিত্রসহ পরিবারের তিন সদস্যের শেষকৃত্য হয়েছিল। এমনকি শ্মশানের সমাধিগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রায় দুই যুগ আগে পরিবারের এক সদস্যের বিয়েতে আব্দুল খালেক মৃধার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা ধার নেওয়া হয়। পরে একাধিকবার ফেরত দিতে চাইলেও তিনি নেননি। ২০২৪ সালের আগে এক সালিশে ৬০ হাজার টাকা দিয়ে সেই দেনা মিটমাট করা হয় বলে দাবি পরিবারের।
অভিযুক্ত আব্দুল খালেক মৃধার ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment