ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে চার বছর ধরে রহস্যে ঘেরা শিপ্রা রানী দাস হত্যা মামলার কিনারা করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী তাজুল ইসলাম ওরফে কাজলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পিবিআই জানায়, পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
২০২১ সালের ১ অক্টোবর রান্নার সহকারীর কাজে বেরিয়ে নিখোঁজ হন শিপ্রা রানী দাস। তিন দিন পর নবীনগরের নবীপুর এলাকার জলার চর থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হয়। স্বামী সবিনয় দাস অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করলেও পুলিশ দীর্ঘ ছয় মাস তদন্তেও রহস্য উদঘাটন করতে ব্যর্থ হয়। পরে ২০২২ সালের জুলাইয়ে মামলাটি পিবিআই-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে পিবিআই সহযোগী কালু বাবুর্চিকে গ্রেপ্তার করে। সর্বশেষ এসআই মো. শাহাদাত হোসেন তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে প্রযুক্তির সহায়তায় মূল আসামি তাজুল ইসলামকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী রেলস্টেশন এলাকা থেকে গত ২২ জুন রাতে গ্রেপ্তার করেন।
পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তাজুল স্বীকার করেছে যে পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে শিপ্রা রানীকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। আদালতে সোপর্দ করা এই আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই রহস্য উন্মোচনে ভুক্তভোগী পরিবারে ন্যায়বিচারের আশা জেগেছে।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment