রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত তিন দিন ধরে বাড়িটির গেটে তালা ঝুলছিল।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে বাড়ির তালা ভেঙে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। রংপুর সিআইডির ইনচার্জ সুমির চৌধুরী জানান, মরদেহগুলো তিন থেকে চার দিন আগের বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বাড়ির বিভিন্ন স্থানে টাকা-পয়সা ও গহনার জায়গাগুলোর তালা ভাঙা পাওয়া গেছে, যা ডাকাতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে ওই বাড়ি থেকে কাউকে বের হতে দেখা যায়নি। বিদ্যুতের সংযোগও বিচ্ছিন্ন ছিল। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে শনিবার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, বাসার নিচতলায় কাজ চলমান থাকলেও দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন তারা। ছাদে গণপতি চক্রবর্তী, ছাদের চিলেকোঠায় স্ত্রী প্রীতিলতা, অন্য ঘরে মেয়ে প্রার্থী ও দেয়ালের পাশে ছেলে প্রীয়মের মরদেহ পাওয়া যায়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাদের হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং এর পেছনে কারা রয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment