লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নে ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালী মন্দির, বৃদ্ধেশ্বরী মন্দির ও নামুরী চন্দ্রপুর শ্মশানঘাটের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে এই দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় সেবায়েত ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। এতে এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সারপুকুর ইউনিয়নের নামুরী চন্দ্রপুর-২০ নম্বর মৌজায় বি.আর.এস. ৭৬ নম্বর দাগে মোট প্রায় ৬৬ শতক জমি রয়েছে। এই জমির একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে মন্দির ও শ্মশানঘাট পরিচালিত হয়ে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, মন্দির প্রতিষ্ঠার সময় মূল প্রতিষ্ঠাতা প্রায় ৩৭ শতক জমি মন্দিরের নামে দান করেন, যার দলিল মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে।
সম্প্রতি ওই জমির নতুন ক্রেতা পক্ষ মন্দির ও শ্মশানঘাটের একাংশ নিজেদের জমি দাবি করে দখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহিরাগত লোকজন এনে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করানো হয় এবং জমি দখলের চেষ্টা চালানো হয়। মন্দির সংশ্লিষ্টরা জানান, বিরোধ এড়াতে মন্দিরের পেছনের প্রায় ৫ শতক জমি ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু জমি দাবিদার পক্ষ তা গ্রহণ না করে মন্দিরের পাশের অংশ দখলের চেষ্টা করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি নিয়ে কোনো পক্ষের দাবি থাকলে তা কাগজপত্র ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জায়গায় এমন দখলের চেষ্টা এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।
স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন তারা।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment