Monday, September 28, 2026
যশোরের অভয়নগরে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী তনুশ্রী বিশ্বাস নিখোঁজ
Sunday, September 27, 2026
সংখ্যালঘু নারীদের নিরাপত্তা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি
বাগেরহাটে চার্চে ভাঙচুর ও মূর্তি পুকুরে ফেলার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জুয়েলারি দোকানে দিনদুপুরে ডাকাতির অভিযোগ, স্বর্ণ-রুপার অলংকার লুট
পঞ্চগড়ে রাতের আঁধারে দুর্গাপূজার প্রতিমা ভাঙচুর, মামলা দায়ের
Saturday, September 26, 2026
প্রাথমিক শিক্ষক পদে নির্বাচিত হয়েও নিয়োগ গেজেটে নাম নেই রাহুলের
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত হওয়ার পরও চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেটে নাম না থাকার অভিযোগ করেছেন রাহুল দাস নামে এক প্রার্থী।
দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে তিনি শিক্ষক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরবর্তী তদন্তের পর চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেট থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাহুলের স্বজন ও পরিচিতদের অভিযোগ, নাম বাদ দেওয়ার বিষয়ে তাকে স্পষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। তাদের দাবি, রাহুলের কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড নেই এবং চাকরির যোগ্যতা নিয়েও কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।
তাদের আরও অভিযোগ, রাহুল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হওয়ায় বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকতে পারেন। তবে চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেট থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক কারণ কী এবং এর সঙ্গে তার ধর্মীয় বা সংখ্যালঘু পরিচয়ের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
এদিকে আরও কয়েকজন প্রার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেট থেকে তাদের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ করেছেন। তাদেরও দাবি, নাম বাদ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে তারা স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাননি।
রাহুলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং নিয়োগ থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রয়োজন।
বগুড়ায় কালীমন্দিরে ভাঙচুর, দান বাক্সের টাকা ও পূজার সামগ্রী চুরি
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার একটি কালীমন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মন্দিরের দান বাক্স ভেঙে টাকা এবং বিভিন্ন পূজার সামগ্রী চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের মাটিহাঁস গ্রামের ডহরপুর কালীমাতা মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্দিরের পুরোহিত শ্রী খগেন্দ্রনাথ প্রামাণিক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে পূজা-অর্চনা শেষে তিনি বাড়িতে চলে যান। শুক্রবার সকালে মন্দিরে এসে তিনি দান বাক্স ভাঙা এবং ভেতরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় একটি মূর্তিও মন্দিরে পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মন্দিরের পাশের একটি ডোবা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাটিহাঁস থেকে হাটকড়ইগামী আঞ্চলিক সড়কের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে ‘সন্ন্যাসী ঠাকুর’ নামের আরেকটি মূর্তি পাওয়া যায় বলে জানান পুরোহিত।
মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে কাসার ঘণ্টা, ত্রিশূল, কাসার কাঁসি, কাসার প্লেটসহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী। একই সঙ্গে দান বাক্সে থাকা টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নন্দীগ্রাম থানার ওসি তারিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় গ্রামের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল থানায় অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Friday, September 25, 2026
ময়মনসিংহে ড্রামের ভেতর মরদেহ, মিলেছে পরিচয়
ময়মনসিংহে পানিতে ভাসতে থাকা ড্রামের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহতের নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০)।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর ত্রিশাল উপজেলার রমেন্দ্র চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে। ত্রিশালে বাড়ি হলেও তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ময়মনসিংহ নগরীর স্টেডিয়াম এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। পেশায় তিনি একজন জুয়েলারি কারিগর ছিলেন।
এর আগে বুধবার সকালে ময়মনসিংহ সদরের বেগুনবাড়ি এলাকার একটি স্লুইসগেটের সামনে পানিতে ভাসতে থাকা একটি ড্রাম দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে ড্রামের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মাথা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ একটি ড্রামের ভেতরে রেখে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।
প্রধান শিক্ষকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না দিলে সপরিবারে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি
পিরোজপুরের নাজিরপুরে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষক কিশোর কুমার হালদার (৫৪) উপজেলার শাঁখারীকাঠী ইউনিয়নের ৯৫ নম্বর বুড়িখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনায় তিনি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নাজিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টি বৃহস্পতিবার সকালে নিশ্চিত করেছেন নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে একটি মোবাইল নম্বর থেকে কিশোর কুমার হালদারের ফোনে কল আসে। ফোনে তাঁর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। আগামী শুক্রবারের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কিশোর কুমার হালদারের ভাষ্য, ফোনে তাঁকে বলা হয়, তাঁদের নাজিরপুর থেকে পুড়িয়ে হত্যার জন্য ‘সিলেক্ট’ করা হয়েছে। এ থেকে রক্ষা পেতে শুক্রবারের মধ্যে ২০ লাখ টাকা দিতে বলা হয়। টাকা না দিলে সপরিবারে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
হুমকির পর নিরাপত্তার কারণে নিজের নয় বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে রাতে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নেন ওই শিক্ষক।
কিশোর কুমার আরও জানান, গত বছর তাঁর চাচাতো ভাই সঞ্জীব হালদারকে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছিল। এ কারণে নতুন করে পাওয়া হুমকিতে তিনি ও তাঁর পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানান, বিদেশি বা ইন্টারনেটভিত্তিক একটি নম্বর থেকে ফোন করে প্রধান শিক্ষককে ভয় দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষক থানায় জিডি করেছেন এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হুমকির উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত করা হচ্ছে।
.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)



